Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সামাজিক মূল্য ও মানবিক মৌল নীতি

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

সুদুর অতীত থেকে একে একে বিবর্তনের ধাপ পেরিয়ে নামুষ আজকের এই পরিবেশে এসে পৌঁছেছে৷ তার এই অবিরল যাত্রা কিন্তু একক নিঃসঙ্গ যাত্রা নয়৷ সে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে তার সমাজকেও৷ অতীতের সেই অবিকশিত অনুন্নত অবস্থাতেও মানুষ বাস করত বিভিন্ন গোষ্ঠীতে দলবদ্ধ  হয়ে৷ এর কারণ, মানুষ পারে না একা বাস করতে পারে না তার দৈনন্দিন জীবনযাত্রার খোরাক সংগ্রহ করতে৷ সমষ্টি ব্যতিরেকে ব্যষ্টির অস্তিত্ব রক্ষা করা অসম্ভব কারণ মানুষ এক সামাজিক জীব৷ মানুষের কথা ভাবতে গেলে স্বভাবতই তার সমাজও এসে পড়ে, তাই মানুষের অস্তিত্বের দু’টি দিক---একটা সে নিজে তার ব্যষ্টির অস্তিত্ব আর দ্বিতীয়টি হ’ল সে সমাজের সদস্য---তার সমষ্টিগত অস্তিত্ব৷ এই দুই অস্তিত্ব থেকে মানুষের মূল্য নির্ধারণ করতে হয়৷ একটি হ’ল তার সামাজিক মূল্য আর অপরটি হ’ল তার মানবিক মূল্য৷

মানুষের সামাজিক মূল্য নির্ধারিত হয় তার সামাজিক দায়িত্ব থেকে৷ সমাজের সদস্য হিসেবে তাকে বিশেষ কতকগুলি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়৷ যে ড় দায়িত্ব পালন করে মানুষ স্বভাবতই তাকে মেনে নেয়---শ্রদ্ধা করে৷ কারণ এই দায়িত্ব পালনের মধ্যেই সকলের কল্যাণের প্রসঃ জড়িয়ে থাকে৷ ইতিহাসের পর্যালোচনা করলে দেখতে পাই পৃথিবীতে যেদিন ক্ষত্রিয় যুগ ছিল, সেদিন অন্যান্য শ্রেণী থেকে রাজ-রাজারা পেত সব থেকে বেশী সম্মান৷ রাজদরবারে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা জনসাধারণ কুর্নিশ করত বাদশাকে সম্মান প্রদর্শন ক’রত বিনা দ্বিধায়৷ কারণ সেই ক্ষত্রিয়েরা তাদের বীরত্বে, সাহসে, শৌর্যের মহিমায় মানুষের মনে এক আসন করে নিয়েছিল৷ ঠিক তেমনি বিপ্রযুগে আমরা দেখতে পাই প্রয়ুগে আমরা দেখতে পাহ দ্ধিজীবীদের পায়ের তলে লুটিয়ে পড়েছে ক্ষত্রিয় ও অন্যান্য শ্রেণীর মানুষ৷ কারণ বিপ্রদের দ্ধির প্রাখর্যে অভিভূত হয়ে গিয়েছিল সবাই৷ এই বিপ্রেরা আবিষ্কার করেছিল মানুষের কল্যাণের বিভিন্ন সামগ্রী তাদের ৌেদ্ধিক গবেষণায় সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছিল লেই সাই তাদের মেনে নিয়েছিল ঋষি লে৷ ভক্তিশ্রদ্ধায় নত হয়ে আসত সবার মস্তক সেই মহান ঋষিদের চরণে৷ এই হ’ল স্বাভাবিক নিয়ম---মানুষ সর্বদা সামাজিক মূল্যকেই সম্মান করে’ এসেছে সর্বদেশে সর্বকালে, কিন্তু মানবিক মূল্যকে কেউ কখনও শ্রদ্ধা করেনি৷ দেয়নি কেউই মানুষের মনুষ্যত্বকে সম্মান৷

মানবিক মৌল সিদ্ধান্ত বা Human cardinal principle হ’লa silver lining between the psycho-spiritual and spiritual strata of human existence আধ্যাত্মিক স্তর ও মানসাধ্যাত্মিক স্তর---এই দু’য়ের যে মিলনক্ষেত্র তাকেই লি মৌল মানবিক স্তর৷ মানুষের অস্তিত্ব ত্রিমুখী, ত্রিধারা সমন্বিত---দৈহিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক৷ এই ত্রিমুখী অস্তিত্বের মধ্যে দৈহিক ক্ষেত্রের সীমা অনেকে পেরিয়ে উঠতে পারে না৷ স্থূল ভোগই তাদের একমাত্র ধ্যেয় হয়ে পড়ে৷ তাদের ল দানব বা পশু শ্রেণীভুক্ত৷ নিজেদের  জৈব বৃত্তিরা তাড়নায় তারা সর্বদা প্রেষিত হয়৷ জীবনের সূক্ষ্ম অনুভূতি, সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি, সূক্ষ্ম অনুশীলন তাদের নাগালের বাইরে৷ তারা জানে শুধু তাদের দেহকে, দৈহিক প্রয়োজসমূহকে৷

আবার অনেকে রয়েছেন যাঁরা শুধু দেহ নয়, মন নিয়েও তাঁদের কার্রার৷ তাঁরা অনুভব করেন যে মনের প্রাধান্যই পশুদের থেকে তাঁদের পৃথক করেছে৷ মানসিক পরিতৃপ্তির এষণায় তাঁদের জীবনধারা নিয়ন্ত্রিত৷ সূক্ষ্ম অনুশীলনের প্রচেষ্টায় তাঁরাই সৃষ্টি করেন কাব্য, কবিতা, শিল্প, সঙ্গীত, ভাস্কর্য৷ দয়া, মমতা, প্রেম, মৈত্রী, করুণা নিয়ে তাঁদের জীবনাভিব্যক্তি৷ তাঁরা উপলব্ধি করেন যে মনের গতিধারা অনন্তের সাথে মিলনের জন্যেই প্রবাহিত, তাই তাঁদের সমস্ত শক্তিকে তাঁরা নিয়োজিত করেছেন পরমসুন্দরের ধ্যানে৷ বৈবহারিক জীবনে তাঁরা আধ্যাত্মিক সাধক৷ এঁদেরই ল মানব৷

এই আধ্যাত্মিক সাধক পরমপুরুষের তীব্র বেগে চলতে চলতে একদিন এসে পৌঁছান এমন এক স্থানে যেখানে মানসিক সত্ত্বার শেষ ও আধ্যাত্মিকতার শুরু৷ সে সময় তাঁকে আর সাধারণ মানুষের পর্যায়ে ফেলতে পারি না৷ তাঁকে তখন ল দেবতা৷ মানবাস্তিত্বের  এই যে  পরিণতি  যেখানে  মানসিক  স্তর আধ্যাত্মিক স্তর--- দু’য়ের  হয় সংযুক্তি, সেই অবস্থায়  পৌঁছানো প্রত্যেকটি  মানুষের  কাম্য ও কর্তব্য৷ মানবতার  চরম উন্নতি  এখানেই৷  এরপর  আর মানবতা  থাকে না, থাকে  শুধু  দেবত্বের  মহিমা৷  যেখানে পশুতার  পরিসমাপ্তি , সেখানে  থেকে শুরু  হয় মানবতার  যাত্রা৷ আর  মানবতার  চরম শিখরে  উন্নয়নের  পরই  শুরু  হয় দেবত্বের  পরমা প্রশান্তি৷   Where animality ends humanity begins, where humanity culminates divinity starts. এই মানবতার  চরম বিকাশ  ও দেবত্বের  প্রারম্ভ  ও  দু’য়ের  যে সন্ধি পর্যায়  তারই ওপর ভিত্তি  করে মানবিক  মৌল নীতি  নির্র্ধরিত হয়৷

অতীত থেকে বর্তমান  পর্যন্ত  মানবজাতির  ইতিহাসের  দিকে  দৃষ্টিপাত করলে  আমরা দের্খ  যে কোথাও  মানবিক মূল্য সম্মানিত  হয়নি৷  সম্মান  তো  দূরের  কথা মনুষ্যত্বের দিকে  কেউ  দাক্ষিণ্যের    দৃষ্টিপাত পর্যন্ত  করে নি৷ মানুষ  শ্রদ্ধা  করেছে তাদের  যার  দ্বারা  তার স্বার্থপূর্তি  হতে পারে৷  ভূলুন্ঠিত  মানবতাকে অবহেলা করে  করে’  তারা সম্মান করেছে  তাদের,  যারা  সমাজের  উচ্চমঞ্চে  প্রতিষ্ঠিত৷  এই উচ্চ মঞ্চের  অহঙ্কার  থেকে  নীচে  নেমে  এসে মাটির  মানুষের সাথে  যোগাযোগ  রক্ষা  করায়  অনেক াধা৷ মানুষের  অবহেলা  আরও তীব্রভাবে  প্রকট হয়েছে  প্রতিটি  যুগের  শেষ অধ্যায়ে৷ মহান   ক্ষত্রিয়দের সন্তানেরা, যাঁরা  বংশপরম্পরাক্রমে  রাজসিংহাসনে  অধিকার  ভোগ  করতেন,  তাঁরা নিজেদের  প্রজাপালনের  কর্তব্যটুকু বিস্মৃত  হয়ে,  মানুষের  কল্যাণের  পবিত্র   দায়িত্বটুকু কে  ভুলে  গিয়ে নিজেদের  বিলাস ব্যসনের  উপাচার  সংগ্রহে  ব্যস্ত  থেকেছেন  সারাক্ষণ৷ নিপীড়িত মানুষের  জীবনের টুকিটাকির  খর  তাঁরা  কখনও  নেননি৷  দারিদ্র্যের যাতনায়  হয়ত  ওষ্ঠাগত  প্রাণ, কিন্তু  রাজকর  না দেওয়ার  অপরাধে  অধস্তন  কর্মচারীর  বেতের  আঘাতে  ক্ষতবিক্ষত  হয়েছে  বৃদ্ধ  প্রজার  দুর্বল  জীর্ণ শরীরগাত্র৷ দয়ালু  ও মানবপ্রেমিক  রাজা  যে ছিলেন  না তা নয়৷  কিন্তু  এমন রাজা  কোথায় যিনি  সমস্ত  মানুষের দৈহিক  ও মানসিক  ক্ষুধা  পরিতৃপ্ত  করে প্রজ্ঞাঘন  সত্তার  সঙ্গে   মহামিলনের  আয়োজন  করে দিয়েছেন? নিজেদের? নিজেদের  প্রতিষ্ঠা  ও বিশ্বজয়ের অপ্রতিরোধ্য বাসনায় তাঁরা  রণ-অভিযান  করেছেন  দেশ থেকে দেশান্তরে৷ সাধারণ মানুষের  হাসি কান্নার  খোঁজ  খর  রাখার  সময় কই  তাঁদের৷ (ক্রমশঃ)

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা
মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পূর্বার্দ্র তত্ত্ব
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি
বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান দায়বদ্ধতা হলো যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনেরই আর স্বৈরাচারিতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা!
হিংস্র দুঃসময় বাঙালীর দুয়ারে
আর্থিক বিকাশ শেষ কথা নয়
গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার

পুরানো মাসিক খবর

  • February 2026 (220)
  • August 2022 (106)
  • July 2022 (93)
  • June 2022 (167)
  • May 2022 (92)
Pagination
  • Page 1
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved