Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

এবার মুখোশ খুলে বাঙালী বিদ্বেষের - স্বরূপ প্রকাশ করলো অসম সরকার

তপোময় বিশ্বাস

 বিজেপির অন্যতম মডেল ‘অসম রবীন্দ্রসঙ্গীত গাওয়াও আজ রাষ্ট্রদ্রোহ! প্রতিবাদে বাঙলা জুড়ে ‘আমার সোনার বাংলা’ গাইলো ‘আমরা বাঙালী’

অসমের বুকে আবারও বাঙালী বিদ্বেষের জঘন্য মুখোশ খুলে ফেললো বিজেপি সরকার৷ গত সোমবার, অসম রাজ্যের বাঙালী অধ্যুষিত শ্রীভূমি জেলায় কংগ্রেসের এক সাধারণ বৈঠকে প্রবীণ বাঙালী নেতা বিধুভূষণ দাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর সৃষ্টি ‘‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’’ গানটি গেয়েছিলেন আর এতেই জ্বলে উঠলো অসমের বিজেপি সরকার!

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা স্বয়ং নির্দেশ দিয়েছেন, এই গান গাওয়ার অপরাধে বিধুভূষণ দাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদোহের মামলা দায়ের করতে৷

কারণ একটাই রবীন্দ্রনাথের এই গানটির প্রথম দশ লাইন আজ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত! কবিগুরুর লেখা গান গাওয়াই এখন বিজেপির চোখে দেশদ্রোহিতা!

এই নিকৃষ্ট, অসংবিধানিক ও বাংলা-বাঙালী বিরোধী ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ৩রা নভেম্বর ২০২৫, বারাসত কলোনী মোড়ে সমবেত ন্ট্রে ‘আমার সোনার বাংলা, তোমায় ভালোবাসি’ গাইলো ‘আমরা বাঙালী’র সদস্য-সদস্যারা৷ 

কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সচিব তপোময় বিশ্বাস বলেন ‘‘এই ঘটনা প্রমাণ করে দিলো, বিজেপি শুধু রাজনৈতিকভাবে নয়, সাংস্কৃতিক দিক থেকেও চরমভাবে বাঙালী বিদ্বেষী ও রবীন্দ্রবিরোধী৷ ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় কবিগুরুর এই গানই সমগ্র বাঙালী জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল, ছিল ব্রিটিশবিরোধী লড়াইয়ের প্রেরণার গান৷ আজ সেই গানকেই রাষ্ট্রদ্রোহ বলে চিহ্ণিত করা, বাঙালীর আত্মপরিচয়কেই অস্বীকার করার শামিল৷’’

তপোময় বিশ্বাস আরও বলেন---‘‘কয়েক বছর আগে যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি পশ্চিমবঙ্গে এসে অবাঙালী টানে হলেও ‘আমার সোনার বাংলা, তোমায় ভালোবাসি’ গানটি উচ্চারণ করেছিলেন, তাহলে কি তাঁকেও রাষ্ট্রদ্রোহী বলা হবে?

যদি অসম সরকার নীতি অনুযায়ী এই গান গাওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ হয়, তবে প্রধানমন্ত্রীকেও একই তকমা দিতে হবে৷ অন্যথায় এটি স্পষ্ট দ্বিচারিতা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বাঙালী বিদ্বেষ৷’’

তিনি আরও বলেন ‘‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আমার সোনার বাংলা’ একদিন পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হয়েছিল, আজ সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটছে ভারতের ভূমিতে, বিজেপি শাসিত অসমে৷ এটি কেবল একটি গানকে নয়, সমগ্র বাঙালী জাতিসত্ত্বাকে অপমানিত করার গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র৷’’

‘আমরা বাঙালী’ দলের মতে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই গানটি কেবল একটি সাংস্কৃতিক সৃষ্টিই নয়, এটি বাঙালী জাতির আত্মার প্রতীক, ভাষিক ঐক্যের মূর্ত প্রতীক এবং মানবতাবাদের মহাগান৷

যে সরকার ‘‘আমার সোনার বাংলা’’র মতো ঐতিহ্যকে রাষ্ট্রদ্রোহ ঘোষণা করে, সেই সরকার প্রকৃত অর্থে ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক নীতিভাষিক বহুত্ব, সাংস্কৃতিক ঐক্য ও গণতান্ত্রিক মর‌্যাদাএর প্রতি চরম অবমাননা করছে৷

আজ প্রমাণিত বিজেপির তথাকথিত ‘‘জাতীয়তাবাদ’’ আসলে একটি মুখোশ, যার আড়ালে লুকিয়ে আছে ‘‘বাঙালী বিদ্বেষের বিষবাষ্প’’৷

এটি কেবল একটি গানের বিরুদ্ধে নয় এটি একটি জাতির সাংস্কৃতিক অস্তিত্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা৷

আজ যে বাঙালী বিদ্বেষের আগুন জ্বলছে অসমে, আগামী দিনে সেটিই সীমান্ত ছাড়িয়ে সমগ্র ভারতের সাংবিধানিক বহুত্বের বুকে আগুন ধরিয়ে দেবে যদি আজই তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ না গড়ে তোলা যায়৷ তাই সমস্ত বাঙালীরা এর প্রতিবাদে রাজনীতি-দল-ধর্ম সবকিছুর উধর্ে উঠে প্রতিবাদে সামিল হোন৷

 

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
আরও

সম্পাদকীয়

বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই
স্থানীয় জনসাধারণের সার্বিক কর্মসংস্থান

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার
প্রথম দেখা
এবার মুখোশ খুলে বাঙালী বিদ্বেষের - স্বরূপ প্রকাশ করলো অসম সরকার
নিত্যদিনের সমস্যা, সমাধানও অসম্ভব নয়-- অথচ প্রশাসনের গা ছাড়া ভাব
আমার বাঙলা

পুরানো মাসিক খবর

  • January 2019 (101)
  • December 2018 (128)
  • November 2018 (161)
  • October 2018 (135)
  • September 2018 (93)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 9
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved