Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ধুন্ধুমার  কাণ্ড  প্রসঙ্গে

যাদবপুর  বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ১৯শে সেপ্ঢেম্বর  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী  বাবুল সুপ্রিয়ের কর্মসূচীকে ঘিরে  যে ধুন্ধুমার কাণ্ড  ঘটে গেল তা মোটেই কাম্য নয়৷ একটি শিক্ষাক্ষেত্রে  এধরণের  ঘটনা প্রমাণ  করে আমাদের দেশে শিক্ষাব্যবস্থা কোথায়  দাঁড়িয়েছে ৷  পারস্পরিক সহিষ্ণুতা, নিয়মনীতি, শৃঙ্খলার লেশমাত্র দেখা গেল না৷ কোন্ গোষ্ঠী কোন  দল বা কে  কতখানি  এজন্যে দায়ী বর্তমান পরিস্থিতিতে এই বিশ্লেষণে পণ্ডশ্রম  না করে, সোজাসুজি বলা চলে দায়ী সংকীর্ণ দলীয়  রাজনীতি৷  যার পুরোধারা  শিক্ষাক্ষেত্রকে নিজেদের  ক্যাডার তৈরীর আখড়া বানিয়ে ফেলেছে৷ আর মাঝখান থেকে শিক্ষাব্যবস্থার সর্বনাশ ডেকে এনেছে৷

শিক্ষা মানবসমাজের  মেরুদণ্ড৷  শিক্ষাকেন্দ্রগুলি প্রকৃত মানুষ তৈরীর কারখানা৷ অন্যান্য পশুরা  জন্ম থেকেই  ওই পশুর গুণ এমনিতেই পেয়ে যায়৷  কিন্তু  মানুষ জন্মেই প্রকৃত  মানুষ হয় না৷ শিক্ষাই তাকে  প্রকৃত  মানুষ করে গড়ে  তোলে৷ অন্ততঃ সে শিক্ষা যদি  যথার্থ শিক্ষা হয়৷ সামাজিক, আর্থিক, মানসিক আধ্যাত্মিক--- প্রতিটি ক্ষেত্রেই মানুষকে সম্যক জ্ঞান অর্জন করতে হবে৷ তবেই একটি মানুষকে ‘প্রকৃত মানুষ’ বলে গণ্য করা যায়৷ তবেই সে সমস্ত  মানুষরা  তাদের  নিজ নিজ জীবন তথা  সমাজকে  সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে৷ স্কুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সেই জ্ঞানলাভের তপোভূমি৷ হ্যাঁ, জ্ঞানলাভ তপস্যারই  মত৷ আর শিক্ষার কেন্দ্রগুলিতে তপোবনের  মত সুস্থ সুন্দর  পরিবেশ থাকা  উচিত৷ 

মানুষ  উপযুক্ত শিক্ষালাভ  করে জ্ঞান অর্জন করে’ তারপর রাজনীতি করুক৷ সেটাই কাম্য৷ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সুস্থ শান্ত পরিবেশে  নিরপেক্ষভাবে জ্ঞানলাভের জায়গা, সেখানে যদি  দলীয় রাজনীতি  মত্ত হস্তীর  মত তাণ্ডব চালায়, তাহলে শিক্ষার পরিবেশ কিছুই থাকে না৷ যথার্থ বিচার বিবেচনা করার মত ছাত্র-ছাত্ররা পর্যাপ্ত জ্ঞান অর্জন না  করেই বিভিন্ন দাদা-দিদিদের  অন্ধ অনুগামী হয়ে শিক্ষাক্ষেত্রের  পরিবেশকে দূষিত করে৷  নবাগত বা নবাগতারা সেই  ধারাকে  অব্যাহত রাখে৷ স্বাভাবিকভাবে যা দেশের  পক্ষে  সর্বনাশের অশনি-সংকেত হয়ে দাঁড়ায়৷

বর্তমানে সারা দেশে এই রোগ ক্যানসারের মত ছড়িয়ে  গেছে৷ এটা যে দেশের পক্ষে কতটা ক্ষতিকর তা দেশের রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীরা বা শিক্ষিত সমাজ কেউ উপলদ্ধি করতে পারছেন না ৷ অথবা উপলব্ধি করেও নিরুপায় হয়ে বা হতাশা হয়ে  হাতগুটিয়ে বসে আছেন৷ কই এই দিনের  আলোর মত সহজ  সত্যটা কেউ তো  জোরালোভাবে বলছেন না৷ দেশের  শিক্ষাবিদ্রা, বুদ্ধিজীবীরা, যারা সমাজের  ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তাভাবনা করেন, দেশের  শুভাকাঙ্ক্ষী ---তাদের উচিত  এ ব্যাপারে  মুখ খোলা, জনমত তৈরী করা৷ দেশের রাজনৈতিক নেতা- নেত্রীরা যদি  সত্যই দেশকে ভালবাসে তাহলে কেন তাঁরা  এই সহজ সত্যটাকে  মানতে চাইছেন না!

বর্তমান রাজনীতিতে  যে  নিয়ম-শৃঙ্খলা বর্জিত ক্ষমতা  দখলের লড়াই চলছে আর  তার জন্যে  যেভাবে  নীতিহীন, মানবতাহীন  কাণ্ড কারখানা চলছে --- তা কিন্তু  অতীতের  ভুলের পরিণতি৷  স্বাধীনতার  পর থেকে আমাদের নেতা-নেত্রীদের উচিত ছিল শত শত আত্মবলিদানের  ফলে যে স্বাধীনতা আমরা  অর্জন করেছি, সেই স্বাধীনতার মর্যাদা রাখতে সর্বক্ষেত্রে নৈতিকতা ও সেবার ভাবনা নিয়ে দেশ সেবায়  প্রবৃত্ত হওয়া৷ তা না করে আমাদের দেশের অগ্রণী নেতা-নেত্রীরা গণতন্ত্রের নামে ক্ষমতা  দখল ও ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখাটাকেই ধ্যান জ্ঞান করেছেন৷ আর সবাই তাদের ক্যাডার সংগ্রহের  জন্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন  কলেজ -বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে৷ এইসব শিক্ষাকেন্দ্রের কচি-কাঁচাদের মাথায় নিজেদের  গালভরা বুলি  ঢুকিয়ে দিয়ে নিজেদের দলবৃদ্ধি করার  প্রতিযোগিতায় নেমেছে৷ তার পরিণতি আমরা সবাই দেখতে  পারছি ৷

আজ সমাজের  সর্বস্তরে  দলীয় রাজনীতির  অনুপ্রবেশ সমাজের  অবস্থাকে ঝাঁঝরা করে দিয়েছে৷  সমাজের  সর্বস্তরে  যে ঐক্য ভালবাসা ছিল  দলীয় রাজনীতির ফলে সর্বত্রই তাতে প্রচণ্ড ধরণের ফাটল দেখা দিয়েছে ৷ বর্তমান যুগের  মহান্ দার্শনিক ‘প্রাউট’ দর্শনের  প্রবক্তা শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার তাঁর  ‘আজকের  সমস্যা’ পুস্তকে  বলেছেন,  ‘‘মানবীয়  ঐক্যে যারা াধা দিচ্ছে  বা াধা দেবার চেষ্টা করে তাদের মধ্যে  দলীয়  রাজনীতি অন্যতম৷  বস্তুতঃ  এই দলীয় রাজনীতি  জিনিসটা  রোগজীবাণুর চাইতেও  ভয়ঙ্কর৷ এতে ধীরে ধীরে  মানব মনের সমস্ত সরলতা  তথা সেবাপরায়ণতা সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যায়৷ এতে ব্যষ্টির  যোগ্যতার  চাইতে দলীয় তক্মার  মর্যাদা বেশী, জনসেবা নয়--- আত্মসেবাই প্রধান  লক্ষ্য, কল্যাণ নয়--- মন্ত্রিত্বই  বড়, জনসাধারণকে ধোঁকা  দেওয়া, ডিগ্বাজী খাওয়া এগুলি খুবই  সাধারণ  জিনিস৷ জনসাধারণের দুর্বলতাগুলো  বুঝে বড় বড় বুলি কপচিয়ে জনসাধারণের একাংশকে  অন্য অংশের বিরুদ্ধে  লেলিয়ে দিয়ে  এরা রাষ্ট্রের  গদি  দখল করতে চায় বা কায়েম রাখতে চায়৷  মানুষকে  এদের  থেকে সতর্ক থাকতে হবে৷ সমাজজীবনে, ধর্মজীবনে, শিক্ষাক্ষেত্রে,সাহিত্যক্ষেত্রে  সর্বত্রই এরা  নাক গলাতে চায়৷’’

শিক্ষা সম্পর্কে প্রাউট- প্রবক্তা আরও বলেছেন ঃ ‘‘দলীয়  রাজনীতির  হাত থেকে শিক্ষাব্যবস্থাকে  সযত্নে মুক্ত  রাখা দরকার৷ শিক্ষা ব্যবস্থার  আর্থিক দায়িত্ব  রাষ্ট্রের কিন্তু  পঠন-পাঠন , পাঠ-রীতি তথা  পাঠ্য নির্বাচনের একচ্ছত্র অধিকার  শিক্ষাব্রতীদেরই থাকা উচিত৷’’

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • August 2018 (120)
  • July 2018 (154)
  • June 2018 (112)
  • May 2018 (139)
  • April 2018 (161)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 10
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved