Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

বিজন সেতুতে সপ্তদশ দধীচির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন, মৌন মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

নিজস্ব সংবাদদাতা
Wed, 09-05-2018

Bijon Setu 1১৯৮২ সালের ৩০শে এপ্রিল কলকাতার বিজন সেতু এলাকায় ও বণ্ডেল গেটে আনন্দমার্গের ১৭জন সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনীকে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে ও সেই সপ্তদশ ‘দধীচি’র প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে, সঙ্গে সঙ্গে ‘মানবতা বাঁচাও’ শ্লোগান তুলে গত ৩০শে এপ্রিল দুপুর দু’টোয় দেশপ্রিয় পার্ক থেকে বিজন সেতুর উদ্দেশ্যে এক মৌন মিছিল বের হয়৷ সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর দ্বারা সংঘটিত এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত মৌন মিছিল বিজন সেতুতে পৌঁছালে সেখানে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ কলকাতার বহু বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী সহ হাজার হাজার আনন্দমার্গী ও মানবতাবাদী মানুষ এই জনসভায় যোগদান করেন৷

বিজন সেতুর অনুষ্ঠানে প্রথমে আনন্দমার্গের কর্মকর্তাগণ ও আনন্দমার্গের মহিলা বিভাগের সন্ন্যাসিনী দিদিগণ  ও তৎপরে উপস্থিত বুদ্ধিজীবিগণ সপ্তদশ দধীচির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন৷ এরপর অবধূতিকা আনন্দ অভীষা আচার্যা ও অন্যান্য দিদিরা ‘লভি যদি পুনঃ মানব জীবন করিব গো মোরা তোমারই কাজ’---এই প্রভাত সঙ্গীতটি পরিবেশন করেন৷ এরপর কীর্ত্তন, মিলিত সাধনা ও শান্তিবাণী পাঠের মাধ্যমে দধীচিদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়৷ শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আচার্য কাশীশ্বরানন্দ অবধূত৷

Bijon Setu 2অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রথমে শ্রীমতী জয়া সাহা ৩০শে এপ্রিলের নারকীয়  ঘটনার ওপর  স্বরচিত কবিতা পাঠ  করেন৷ এরপর খ্যাতনামা চিকিৎসক ডঃ মৃণাল কান্তি রায় তাঁর  বক্তব্যে বলেন, ৩৬ বছর ধরে  এই যন্ত্রনা আমরা বয়ে নিয়ে  চলেছি৷ ১৯৮২ সালের ৩০ এপ্রিল সভ্যতার  পীঠস্থান কলকাতার বুকে সিপিএম-এর গুন্ডারা সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনীদের  নৃশংস ভাবে  খুন করল, পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিল, অথচ আজ পর্যন্ত সে বিচার  হ’ল না, অপরাধীরা আজও শাস্তি পেল না৷  ন্যায়-ধর্ম বিরোধী সিপিএম নেতারা বুক ফুলিয়ে ঘোষণা করেছিল, আনন্দমার্গকে তারা দেশ থেকে উৎখাত করে দেবে, ভাগ্যের পরিহাসে সেই সিপিএম ক্ষমতা  থেকে উৎখাত  হয়ে এখন মৃত্যুর জন্যে দিন গুণছে, কিন্তু দেশ-বিদেশে আনন্দমার্গের  প্রচার ও জনপ্রিয়তা ক্রমশঃ বেড়েই চলছে৷ আমরা যারা  আনন্দমার্গকে  বুঝেছি, যতদিন আমাদের দেহে প্রাণ আছে, ততদিন  শত বাধা-বিপত্তি ঝড়ঝঞ্ঝা সত্ত্বেও আনন্দমার্গের  কাজ করে যাব৷ আনন্দমার্গের  অগ্রগতি  কেউ রোধ করতে পারবে না৷

অবধূতিকা আনন্দচিতিসুধা আচার্যা তাঁর ভাষণে ‘লাল ড্রাগনে’র  নৃশংসতার ইতিহাস বর্ণনা করে বলেন, শ্রীশ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী বলেছেন, আধ্যাত্মিকতাই  জীবনের  চরম সত্য আর যাঁরা সৎ, নীতিবাদী ও আধ্যাত্মিকতায় প্রতিষ্ঠিত তাঁরাই যথার্থ জনপ্রতিনিধি হতে পারে--- তাঁরাই সমাজের  যথার্থ কল্যাণ করতে পারে৷ যারা ধর্ম মানে না, তারা কখনোই মানুষের  যথার্থ কল্যাণ করতে পারে না৷ প্রকৃত পক্ষে মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের প্রাউটদর্শন--- যা পুঁজিবাদ ও মার্কসবাদের বিকল্প---এই প্রাউটের আবির্ভাব ও সারা পৃথিবীতে এর প্রসার ও প্রচার দেখে সিপিএম তার  মৃত্যুর ঘন্টাধবনি শুণতে পেয়েছিল, তাই তারা আমাদের  সংস্থার ওপর নৃশংস আঘাত হেনেছিল৷

Bijon Setu 3দিদি আনন্দ চিতিসুধা প্রভাত সঙ্গীতের  ভাষায় বলেন, ‘‘আমি ডাক দিয়ে যাই যাই যাই, / আলোকের পথ ধরে যেতে চায় তাহাদের  চিনে নিতে চাই৷’’

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক অচিন্ত্য কুমার বিশ্বাস তাঁর ভাষণে--- মাকর্সবাদীদের নৃশংস অত্যাচারের বর্ণনা দিয়ে বলেন, আনন্দমার্গের  সর্বত্যাগী সন্ন্যাসীদের হত্যা করে তারা  আনন্দমার্গের অগ্রগতি স্তব্ধ করতে চেয়েছিল৷ তাদের ধারণা ভ্রান্ত৷

ভাবাদর্শের  মৃত্যু হয় না, তাই আনন্দমার্গের মহান সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনীদের হত্যা করলেও তাঁরা  যে আদর্শে প্রচার  করেছিলেন--- সেই আদর্শ আজ সারা পৃথিবীতে  ছড়িয়ে পড়েছে৷ তিনি বলেন,  মার্কস্বাদীদের এই নৃশংসতার বিচার  একান্ত জরুরী৷ যদি সরকার তদন্ত  কমিশনের মাধ্যমে এর সত্য উদ্ঘাটনে অপারগ হয় তাহলে বেসরকারী তদন্ত কমিশন বসিয়ে এই সত্য উদ্ঘাটন করতে হবে৷

আচার্য প্রসূনানন্দ অবধূত বলেন, পুঁজিবাদ ও মাকর্সবাদ মানবসভ্যতাকে ধবংসের পথে  নিয়ে চলেছে৷ এই ধবংসন্মুখী মানবসভ্যতাকে বাঁচাতেই আনন্দমার্গ তথা প্রাউট দর্শনের আবির্ভাব৷ এই আদর্শের বিজয়রথ কেউ রুদ্ধ করতে পারবে না৷

কোচবিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা ডঃ অর্পিতা ভৌমিক তাঁর ভাষণে সপ্তদশ দধীচির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে সিপিএম-এর  হার্মাদদের নৃশংস অত্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ করেন৷  আচার্য কল্যাণেশ্বরানন্দ অবধূত জানান রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক ২০১২ সালে প্রাক্তন বিচারপতি অমিতাভ লালাকে দিয়ে যে  তদন্ত  কমিশন  গঠন করেছেন, সেই কমিশনের শুনানি  অব্যাহত  রয়েছে, এ পর্যন্ত ৬০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে, সিপি এম-এর  বিভিন্ন নেতাদেরও সাক্ষ্য গ্রহণে ডাকা হয়েছিল৷ সাক্ষ্য গ্রহণ প্রায় শেষ হতে চলেছে৷ আমরা  এই তদন্ত  কমিশনের কাছে সুবিচারের প্রত্যাশায় আছি৷

সবশেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আচার্য হরাত্মানন্দ অবধূত বলেন,  সিপিএম তথা মার্কসবাদীরা আদর্শগতভাবে  চরম দেউলিয়া হয়ে গেছে৷ আজ জ্ঞানবিজ্ঞানের  প্রসারের ফলেও মাকর্সবাদ  যে সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক তা প্রমাণিত হয়েছে৷ তিনি সমস্ত আনন্দমার্গীদের কাছে তথা সমাজের সমস্ত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাছে আবেদন জানান---নিপীড়িত মানবতাকে বাঁচাতে, আনন্দমার্গের সর্বাত্মক শোষণমুক্তির আদর্শকে সমস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দিন, মানব সমাজের কল্যাণযজ্ঞে ঝাঁপিয়ে পড়ুন৷

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • November 2019 (124)
  • October 2019 (160)
  • September 2019 (103)
  • August 2019 (166)
  • July 2019 (118)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 7
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved