Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতাজীর প্রকৃত মূল্যায়ন হওয়া উচিত

এইচ.এন. মাহাত

শুরু হতে চলেছে বঙ্গের ভোট রঙ্গ৷ সকল রাজনৈতিক দল ও নেতারা বিভিন্নভাবে বাঙালীর মন জয় করতে বাঙালী প্রীতি ও ভালোবাসার পসরা নিয়ে মাঠে ময়দানে নেমে পড়েছে৷ ভোটকে কেন্দ্র করে প্রমাণ করতে চাইছে, কে কতটা সাচ্চা বাঙালীর বাচ্চা তার বিচার  আগামীতে বাঙালীদেরকেই করতে হবে৷ ভারতের স্বাধীনতার ৭৪ বছর পর বাঙালী বিদ্বেষী বিজেপি দলটির মনে হলো বাঙালী ভোটারদের মন জয় করতে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু সহ বাঙলার মনিষীদের তোয়াজ করা দরকার৷ নচেৎ বাঙালী ভোট ব্যাঙ্ক আমাদের বিপক্ষে যেতে পারে৷ বিজেপির ড্যামেজ কন্ট্রোল টিপস দেওয়া মাত্রই প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে চুনোপুঁটি নেতারা পর্যন্ত মাঠে ময়দানে নেতাজীর স্তুতি গাইতে শুরু করে দিলেন৷ মাননীয় মোদীজী আরো একধাপ এগিয়ে নেতাজীর জন্মদিন উৎযাপনকালে বাঙালীর মন জয় করতে বাংলা ভাষায় (কিছুক্ষেত্রে ভাষার বিকৃতি মনে হলো) বক্তব্য রাখলেন৷ বিজেপি সরকার কেন্দ্রে আসার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নেতাজী রহস্যের সকল ফাইল উন্মোচন করবেন৷ এখন বলছেন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হবে, তাই সংশ্লিষ্ট ফাইল জনতার দরবারে আনা যাবে না৷ সেই চিরাচরিত অজুহাত৷ আসল রহস্যটা কী? নেতাজীর গোপন ফাইল  প্রকাশ হলে তথাকথিত অনেক দেশপ্রেমিকের মুখোশ খুলে যাবে৷ যার মধ্যে বিশ্বের উচ্চতম গুজরাটি মূর্ত্তিটিও আছে৷ অটল বিহারী বাজপেয়ীর  আমলে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বোসের মৃত্যু-তদন্তকে কেন্দ্র করে মুখার্জি কমিশন বসানো হয়েছিলো৷ মাননীয় বিচারক মুখার্জির সেই ফাইলও আজ পর্যন্ত জনতার দরবারে আনা হয়নি৷ তাকে বস্তা চাপা দিয়ে রাখা হলো৷ মুখার্জি কমিশনের আগে দুটি নেতাজী সংক্রান্ত কমিশন নিয়োজিত করে ছিলো কংগ্রেস সরকার৷ এই দুই কমিশনের উদ্দেশ্য ছিল গান্ধী ও নেহেরু তথা অন্যান্য কংগ্রেস নেতৃত্বের নেতাজী-বিরোধী কুটিল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকে ধামাচাপা দেওয়া৷ তৎকালীন ভারতের নেতৃবর্গ ব্রিটিশের সঙ্গে স্বাধীনতার নামে লোক দেখানো আন্দোলন করেছিলো, তা ছিলো মূলতঃ ছেলে ভোলানো আন্দোলন৷ সেই সময়  কংগ্রেস, কমিউনিষ্ট ও আর.এস.এস এর রাজনৈতিক  দল জনসংঘ  ও বিজেপির সক্রীয় কর্মীরা বাঙালী বিপ্লবীদের ব্রিটিশের হাতে ধরিয়ে দিতো৷ এই দলগুলো কখনোই ভারতের অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা চায়নি৷ দুই শত বছরের ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন করতে করতে নেতৃত্ব দেখলো বেশী দিন আর বেঁচে থাকার সময় থাকবে না৷ তাই মৃত্যুর আগে ভারতের গদিতে না বসতে পারলে জীবনটাই বৃথা হয়ে যাবে৷ অথচ, ভারতের স্বাধীনতায় মূলতঃ বাঙালীরা প্রত্যক্ষভাবে  আন্দোলন করেছিলেন৷ আর তাতে পূর্ণমাত্রায় অনুপ্রেরণা ছিলো নেতাজী সুভাষচন্দ্র বোসের নিষ্ঠা, সাহসিকতা ও অদম্য মনোবল৷ ভারতের নেতৃত্ব যে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করলো তারজন্য  বাঙালীস্তান ও পঞ্জাবের সাধারণ মানুষের উদ্বাস্তু হওয়ারকরুণ দশা ওইসব নেতৃবর্গকে ভোগ করতে হয়নি৷ অথচ স্বাধীনতার প্রাক মূহুর্তে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বোস ভারতীয় নেতৃত্বকে চিঠির মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছিলেন ব্রিটিশের সূর্য অস্তগামী, যেকোনো মুহুর্তে সমগ্র পৃথিবীতে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব ধবংস হতে চলেছে৷ আমরা একটু অপেক্ষা করলে অর্থনৈতিক গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা পাবো, তার সঙ্গে আমরা রাজনৈতিক গণতন্ত্রও অর্জন করবো৷

আজ ভারত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে মুক্ত হলেও তাদের ঔরসজাত বেনিয়া বংশধর গুজরাটের বেনিয়াদের শোষণ, শাসন ও তৎসহ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের থেকেও আরো নিষ্ঠুর রূপ ধারণ করেছে৷ ভারতের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আজ দিশেহারা৷ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই৷ মানুষ আজ নৈতিক ও মানবিক দিক থেকে কোনঠাসা হয়ে পড়েছে৷ ভারতীয়দের কাছে একটা নতুন প্রশ্ণ ব্রিটিশ বেনিয়াদের শোষণের থেকেও ভয়ঙ্কর স্বদেশী ও গুজরাটী বেনিয়াদের সাম্রাজ্যবাদী মনস্তাত্ত্বিক শোষণ থেকে আমরা কি মুক্তি পাবো না?

মহান দার্শনিক ঋষি শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার তার সময়োপযোগী ‘‘প্রাউট’’ দর্শনে বলেছেন’ রাজনৈতিক ধোঁকাবাজ নয়, চাই অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো৷ আসুন আমরা নেতাজীর অমোঘ স্লোগানকে সামনে রেখে এগিয়ে চলি৷ রাজনৈতিক গণতন্ত্র নয় চাই অর্থনৈতিক গণতন্ত্র৷ নেতাজীর  স্বপ্ণপূরণের উদ্দেশ্যে সাম্রাজ্যবাদ ও  ঔপনিবেশবাদ নির্মূল করতে ও প্রাউটের  আলোকে শোষণমুক্ত মানব সমাজ গড়তে  সকলের এগিয়ে আসা দরকার৷ তবেই নেতাজির জন্মদিন উপলক্ষ্যে নানা বহিঃমুখী অনুষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করা থেকেও  তাঁর  আদর্শের মূল্যায়ণ করা ও বাস্তবায়ন করা-ই নেতাজীকে দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার হবে৷

 

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • May 2017 (92)
  • April 2017 (93)
  • March 2017 (93)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 13
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved