Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

সংবিধানের অঙ্গীকার কবে প্রতিষ্ঠিত হবে!

১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হবার পর ১৯৫০ সালের ২৬শে জানুয়ারী দেশ শাসনের জন্যে ভারতের নিজস্ব সংবিধান প্রবর্ত্তিত হয়৷ তারপর সত্তরটা বছর অতিবাহিত হয়েছে৷ আজ দেশের নাগরিককে নাগরিকত্বের প্রমাণের জন্যে লাইনে দাঁড়াতে হবে৷ সীমাহীন অর্থনৈতিক বৈষম্য, সামাজিক বিভাজন ও রাজনৈতিক সংঘাতে প্রতিনিয়ত পদদলিত হচ্ছে মানুষের মৌলিক অধিকার৷ পরিতাপের বিষয় এই যে শাসক দলের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ মদতে এগুলি হয়ে চলেছে৷ অথচ শাসক দলেরই প্রধান দায়িত্ব সংবিধানের অঙ্গীকারগুলি পালন করা৷ মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত করা৷

দেশকে ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক সার্বভৌম, সাধারণতন্ত্র রূপে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করা হয়েছে সংবিধানে৷ প্রতিটি মানুষের জন্যে ন্যায় বিচার ও সমানাধিকারের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে৷ সেই সঙ্গে জনসাধারণকে ছয়টি মৌলিক অধিকার দিয়েছে৷

সেগুলি হ’ল সাম্যের অধিকার, স্বাধীনতার অধিকার, শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামের অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা বিষয়ে অধিকার ও প্রতিবিধানের অধিকার৷ এই সব অধিকারের মূল লক্ষ্য সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সব রকম বৈষম্যের অবসান৷ কিন্তু হায় সত্তর বছরে এই বৈষম্য আরও দীর্ঘ হয়েছে৷

অর্থনীতির কথাই ধরা যাক৷ দেশের মোট সম্পদের দুই-তৃতীয়াংশের বেশীর মালিক মাত্র ৬৩ জন ধনকুবের৷  এই তথ্যেই ধন-বৈষম্যের করুণ অবস্থা জানা যায়৷ এই বৈষম্য কমার লক্ষণ নেই বরং আরও বাড়বে৷ সামাজিক বিভাজন---শাসক দলই সংবিধানকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সামাজিক বিভাজনের আইন পাশ করিয়েছে৷ জাতিগত, সাম্প্রদায়িকগত সংঘাত তো লেগেই রয়েছে৷ রাজনৈতিক ভেদ-বিদ্বেষ, সংঘাত তো আছেই, নেতাদের আচার-আচরণ কথাবার্তা অত্যন্ত নিম্নমানের ও কুরুচিপূর্ণ৷ পদে পদে সংবিধানকে অবজ্ঞা করে সাধারণের ওপর দাদাগিরি তো আছেই৷

শিক্ষার অধিকার--- আজ এদেশে কোটি কোটি মানুষ অশিক্ষার অন্ধকারে ডুবে আছে৷ দেশে মন্দির, মসজিদ নির্মাণে যে অর্থ ব্যয় হয় তার ১০ শতাংশও শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যয় হয় না৷ সাংস্কৃতিক  ক্ষেত্রে উগ্র হিন্দী প্রেম আঞ্চলিক ভাষা-সংস্কৃতির সাংবিধানিক অধিকারকে প্রতিনিয়ত পদদলিত করছে৷ শোষণ, অন্যায় অধিকারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের অধিকার---সেও শাসকের রক্তচক্ষুর সামনে আতঙ্কিত৷ শাসক দলের বিরুদ্ধে কথা বললেই দেশদ্রোহী তকমা সেঁটে দেওয়া হচ্ছে৷

কেন একটা স্বাধীন দেশ সত্তর বছরে তিলে তিলে অধঃপতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, কেন তার আজ এই দুর্দশা! কারণ একটাই৷ পুঁজিবাদ আশ্রিত বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা৷ যে দলই শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়, ধন কুবেরদের স্বার্থ রক্ষা করাই তার প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়৷ গণতন্ত্রের বহুল প্রচলিত প্রবাদকে ব্যঙ্গ করে এখানে গণতন্ত্রের অর্থ হয়েছে পুঁজিবাদের স্বার্থ রক্ষার জন্যে, পুঁজিবাদের দ্বারা নির্বাচিত পুঁজিবাদের সরকার৷ জনসাধারণের ভূমিকা নিতান্তই গৌণ৷ সাধারণের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার পুঁথির পাতায় রয়ে গেছে৷ সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর প্রখর দূরদৃষ্টি দিয়ে স্বাধীন ভারতের এই পরিণতি বুঝে নিয়েছিলেন বলেই রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি তিনি অর্থনৈতিক স্বাধীনতার কথাও বলেছিলেন৷ তাই তো বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমিক আত্মত্যাগে মহান মানুষটির স্থান পুঁজিবাদ আশ্রিত কংগ্রেসে হয়নি৷ পুঁজিবাদের অর্থের দাস  কম্যুনিষ্ট, আর.এস.এস. ও সেদিন তাঁর পাশে দাঁড়ায়নি৷ তাই তো সুভাষচন্দ্র আজও অজানা অন্ধকারে রয়ে গেছেন৷

আজ সংবিধানের অঙ্গীকার সার্থক করে তুলতে হলে জনগণের হাতে প্রথমেই অর্থনৈতিক ক্ষমতা তুলে দিতে হবে৷ শুধুমাত্র চাকুরীজীবীদের বেতন বৃদ্ধি নয়, সবাইকে ক্রয়ক্ষমতা দিতে হবে৷ বর্তমান সামাজিক-অর্থনৈতিক দূরাবস্থা থেকে মুক্তির একটাই মাত্র পথ৷ এ পথ মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকার প্রবর্তিত প্রগতিশীল উপযোগ তত্ত্ব তথা প্রাউটের পথ৷ প্রাউট দেখিয়েছে কীভাবে জল হাওয়া ভৌগোলিক অবস্থান ও নৃতাত্ত্বিক পরিচয় দেখে, সামাজিক-অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে স্থানীয় মানুষের হাতে অর্থনৈতিক পরিকল্পনার দায়িত্ব দিয়ে আদর্শ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়৷ তাই প্রাউটের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই মানুষ মৌলিক অধিকার ফিরে পাবে ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করবে৷ সেইদিনই সংবিধানের অঙ্গীকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • May 2017 (92)
  • April 2017 (93)
  • March 2017 (93)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 13
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved