Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

যুক্তির রাজত্ব

শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার

এই সৌরজগৎ সম্পদ-প্রাচুর্যে ভরপুর৷ শুধুমাত্র মানুষই নয়, জীব জগতের খাওয়া-পরা তথা সর্বাত্মক বিকাশের জন্যে পর্যাপ্ত সম্পদ এখানে রয়েছে৷ কিন্তু আমাদের ত্রুটিপূর্ণ চিন্তা বা দুুদ্ধির জন্যেই আমরা বহু সমস্যার যথার্থ সমাধান খুঁজে পাইনি৷ আমাদের এ পৃথিবী যেন গুপ্তধন-ভাণ্ডার৷ বিশ্বের সমস্ত প্রাণীর রক্ষণাবেক্ষণ তথা তাদের পরিবর্ধনের জন্যে আমাদের এই লুকোনো সম্পদকে ভালভাবে কাজে লাগাতে হবে৷

আমাদের এই পৃথিবী একট জটিল যুগসন্ধিক্ষণের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে৷ এই সমস্ত সমস্যার আশু সমাধান প্রয়োজন৷ এক মুহূর্ত বিলম্ব করা উচিত হবে না৷ তাই সারা বিশ্বে, বিশেষ করে আমাদের এই পৃথিবী গ্রহটায় ‘প্রাউট’-তত্ত্বটা ছড়িয়ে দিতে হবে৷ অত্যল্প সময়ের মধ্যে এর বাস্তবায়ন ও কার্যে রূপায়ণের জন্যে তোমাদের বাস্তবোচিত পরিকল্পনা তৈরী করতে হবে৷ 

তোমরা জান মানুষের জীবনে শুধু রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিকগুলিই সবকিছু নয়, তার মানসিক ও আধ্যাত্মিক দিকও রয়েছে৷ এই মানসাধ্যাত্মিক উন্নতি ও প্রগতির জন্যে নব্যমানমতাবাদের আদর্শকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে৷ কারণ একমাত্র আধ্যাত্মিকতাই জীবনের অন্যান্য দিকগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে৷

মানবদেহ পাঞ্চভৌতিক উপাদানে তৈরী৷ তাই এই দেহকে বিশেষ কতকগুলি ব্যাধির কবল থেকে মুক্ত করতে প্রপঞ্চবিজ্ঞানকেও প্রয়োগ করতে হবে৷ শারীরিক ও মানসিক ব্যাধি দূরীকরণে মাইক্রোবাইটামের (অণুজীবৎ) নূতন তত্ত্বের সাহায্যে জীববিজ্ঞানকে আরো উন্নত করতে হবে৷ এই মাইক্রোবাইটাম ধনাত্মক(positive) ও ঋণাত্মক(negative) দুই ভাবেই কাজ করে থাকে৷ আধ্যাত্মিক প্রগতির উদ্দেশ্যেও মাইক্রোবাইটাম তত্ত্বের শুভপ্রয়োগ হওয়া উচিত৷

মানুষের সাংসৃকতিক জীবনও রয়েছে৷ সকল মানুষের জীবনেই রয়েছে কতকগুলি সাধারণ ও সহজাত বৃত্তি৷ স্বভাবগত ভাবে তাদের কেউ কেউ হয়তো মানুষকে বিকাশের পথে নিয়ে যায়, কেউ বা নিয়ে যায় অবনতির দিকে৷ যে বৃত্তি মানুষকে বিকাশের পথে নিয়ে যায় তাকে আমাদের উৎসাহ প্রদান করা উচিত৷ আর যে বৃত্তি মানুষকে অবনতির পথে নিয়ে যায় তাকে নিরুৎসাহিত করা উচিত৷ এই পৃথিবীর কোথাও কোথাও মানুষকে ব্যাপক নগ্ণচিত্র ও অশ্লীল সাহিত্যের মাধ্যমে নৈতিক অধোগতির দিকে নিয়ে যাওযা হচ্ছে৷ সাধারণ প্রতিবাদের মাধ্যমে একে প্রতিহত করা যাবে না যদি না পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণের জন্যে আমরা সক্রিয়ভাবে কিছু করি৷ যদি বাস্তবোচিত আমরা কিছু করি তবে তা মানুষের মনে এক নূতন আলোড়ন সৃষ্টি করবে৷ একমাত্র তখনই একে সম্পূর্ণভাবে নিরুৎসাহিত তথা প্রতিহত করা সম্ভব হবে৷ সেটাই হবে আমাদের বাস্তবোচিত কর্মধারা৷ আমাদের নূতন সাহিত্য-শিল্প-দর্শন-সঙ্গীত রচনা করতে হবে, উদ্ভাবন করতে হবে উন্নতর বাদ্যযন্ত্রের অর্থাৎ সমাজে এক নূতন সাংসৃকতিক আলোড়ন তুলতে হবে৷ এ সবই আমাদের আশু কর্তব্য৷ এর জন্যে আমাদের যথার্থ পরিকল্পনা প্রণয়ন করেতে হবে ও তদনুযায়ী কাজও শুরু করতে হবে৷

দুঃখের বিষয়, আজকের নিরীহ মানুষেরা সমাজের সর্বগ্রাসী দানবের কৃপার ওপর নির্ভরশীল হয়ে রয়েছে৷ নিরীহ পশুরাও তেমনি নরপিশাচদের ওপর নির্ভরশীল তেমনি উদ্ভিদ ও জীবজগৎও আজ এই মানবরূপী দানবের কৃপার ওপর নির্ভর করে আছে৷ এই মানুষরূপী দানবেরা নূতন নূতন অরণ্য রচনা না করেই নির্বিচারে অরণ্যোচ্ছেদ করে চলেছে.....যা সৃষ্টি করছে নূতন নূতন মরুভূমি৷

মানুষের চিন্তারাজ্যে ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও আজ এক প্রচণ্ড দ্ধি-বিপর্যয় দেখা দিয়েছে৷ আজ থেকে মাত্র তিনশ’ বছর আগেও দক্ষিণ আমেরিকায় কোন মরুভূমি ছিল না৷ পনেরশ’ বছর আগেও ভারতে কোন মরুভূমি ছিল না৷ এমনকি সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষকেও সব সময়ে মানুষরূপী দানবের কৃপার পাত্র হয়ে থাকতে হচ্ছে৷ প্রাউট, নব্যমানবতাবাদ, ‘মাইক্রোবাইটাম’, শিল্প-কলা, সাহিত্য, সঙ্গীত, বাদ্য, সর্বোপরি আধ্যাত্মিক সাধনার সাহায্যে মানুষের সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে হবে৷ বর্তমান বিশ্বের যাবতীয় সমস্যা-ব্যাধির এগুলিই হ’ল সর্বরোগের একমাত্র মকরধবজ৷

পৃথিবীতে পেট্রোলিয়ামের অভাব ঘটতে পারে কিন্তু পেট্রোলিয়াম তৈরীর উপাদানগুলির অভাব নেই৷ তাই কৃত্রিম উপায়ে পেট্রোলিয়াম উৎপাদন করা যেতে পারে৷ আমরা তা’ করতে সক্ষম হবও৷

আমরা চাই এ বিশ্বে যুক্তির রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হোক৷ মানব সমাজ এক ও অবিভাজ্য তবে আপাতঃদৃষ্টিতে সেখানে বৈচিত্র থাকতে পারে কিন্তু বস্তুতঃ সেখানে রয়েছে ফল্গুধারার মত এক সামরস্য৷ যেমন মধ্যপ্রাচ্যে মুসলমান, ইহুদী, খ্রীষ্টান, শ্বেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গ সবই রয়েছে কিন্তু তারা মূলতঃ একই মহান মানবজাতির গৌরবান্বিত সদস্য---একই মহিমান্বিত বিশ্বপিতার সন্তান৷ আনন্দমার্গের আধ্যাত্মিক দর্শন এই তত্ত্বে বিশ্বাসী৷ একমাত্র ভাবজড়তার প্রভাবেই মানুষ বৈষম্যমূলক চিন্তাকে প্রশ্রয় দিয়ে থাকে৷ পৃথিবীতে একটিমাত্র আদর্শ রয়েছে যা সর্বাত্মক ও সর্বানুসূ্যত আর তা হচ্ছে এই আনন্দমার্গ৷

সমস্যা ও সমাধান উভয়ই আমাদের কাছে স্পষ্ট৷ এখন বিশ্বের কোণে কোণে আনন্দমার্গের এই বাণীকে পৌঁছে দেওয়া আমাদের অবশ্য কর্তব্য৷ আজকে সর্বত্রই আমাদের অনুকূল হওয়া বইছে৷ জীব-জগতের অস্থি-মজ্জা, অণু-পরমাণুর কাছে এই আনন্দমার্গের মহান বাণীকে যথা সত্বর পৌঁছে দিতে হবে৷

(কণিকায় প্রাউট  দ্বাদশ খণ্ড )

 

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • May 2017 (92)
  • April 2017 (93)
  • March 2017 (93)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 13
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved