সেদিনও হয়েছিল সূর্যোদয়,
নির্মেঘ বসন্তের গগন৷
ঈশান কোণে অপ্রত্যাশিত মেঘ
বুঝতে পারেনি আসন্ন মহারণ৷
পাঁচই মার্চ, মহাবেদনার স্মৃতি,
বিক্ষত করে নিবিড় ভ্রাতৃ-প্রীতি৷
ধর্মের তরে পঞ্চ দধীচি যারা
আজও অম্লান প্রাতঃস্মরনীয় তারা৷
দূরাচারীর অস্ত্র যখন
নিঠুর খেলায় মাতে,
সাধু জনের পরিত্রাণে আসেন
পরমপিতা সাথে৷
জড়বাদী মন মানেনা কখনো
তাই পাপাচারে লিপ্ত,
কোন বিরোধীতা শুৃনিতে নারাজ
শুনিলেই হয় ক্ষিপ্ত৷
নিজ সঙ্কল্প রূপায়ণে দধীচিরা আসে ভূবনে,
হাসিমুখে তাঁদের মরণ বরণ
আপন কর্তব্য সাধনে৷
ক্ষমতাবৃত্তে দিশাহারা হয়ে
দুঃশাসনের বংশ,
অত্যাচারের অস্ত্র বানায়
শিশুপাল আর কংস!
অহংবোধের উন্মাদনায়
লঙ্ঘিত মহামানবের বাণী,
ষড়যন্ত্রীর চক্র রচিছে
নিভৃতে চক্রপাণি!
আজ সেই কুখ্যাত দিন----
ব্যাথিত হদয়ে স্মরণ করি
কেমনে শুধিব ঋণ!
তাঁদের দেখানো পথ অনুসরণে
সুদৃঢ় করি মন,
কল্যাণকর কর্ম রূপায়ণে
হোক মানবিক জাগরণ৷
- Log in to post comments