April 2024

 প্রাউট প্রসঙ্গে আলোচনা

বারাসাত সুভাষ ইনস্টিটিউট হলে গতকাল সন্ধ্যা পাঁচটা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হ’ল প্রাউটের আলোচনা সভা৷ এটির আয়োজন করেছিলেন *প্রাউটিষ্ট ইউনিবার্সাল, বারাসাত শাখা৷ এই আলোচনা সভায় আলোচনা করেন (১) ডঃ অমিতা মজুমদার (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষা, মহারাজা মণীন্দ্র চন্দ্র কলেজ), (২) ডঃ সুস্মিতা চ্যাটার্জী (সহকারী অধ্যাপিকা, অর্থনীতি বিভাগ,মহারাজা মণীন্দ্র চন্দ্র কলেজ), (৩) শ্রীমতি কাকলি সরকার (প্রধান শিক্ষিকা, মাসুন্দা গার্লসহাইস্কুল), (৪) আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত, (এডিটর, নোতুন পৃথিবী) ও (৫) শ্রী তপোময় বিশ্বাস,বিশিষ্ট প্রাউটিষ্ট৷ এঁরা প্রাউটের বিভিন্ন দিকগুলি তুলে ধর

প্রাউটিষ্ট ছাত্রযুব সম্মেলন

গত ১৭ই মার্চ বীরভূম জেলার ইমাদপুর আনন্দমার্গ স্কুলে প্রাউটিষ্ট ছাত্র-যুব সমাজ আয়োজিত এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়৷ আলোচনা সভার আয়োজন করেন ইয়ূনিবার্র্সল প্রাউটিষ্ট স্টুডেন্ট এ্যাসোসিয়েশন ও ইয়ূথ এ্যাসোসিয়েশনের দায়িত্ব প্রাপ্ত আচার্য সর্বজ্ঞানানন্দ অবধূত৷ সভায় আলোচ্য বিষয় ছিল শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক জগতের অবক্ষয় দূর করতে ছাত্র যুব সমাজের ভূমিকা ও ছাত্র ছাত্রাদের আদর্শ চরিত্র ঘটনে আত্মিক অনুশাসন, নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিক অনুশীলনের প্রয়োজন৷ আলোচনা করেন ইমাদপুর আনন্দমার্গ স্কুলের অধ্যক্ষ আচার্য সুধাব্রতানন্দ অবধূত ও আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত৷

নির্বাচনী বণ্ড---শাসক শোষকের অশুভ আঁতাত সবকা বিকাশের পরিপন্থী

প্রবীন প্রাউটিষ্ট নেতা শ্রী প্রভাত খাঁ এক আলোচনা সভায় নির্বাচনী বণ্ড প্রসঙ্গে বলেন এটা শাসক শোষকের অশুভ আঁতাত, সবকা বিকাশের পরিপন্থী৷ এখানে শাসক ও শোষকের পরস্পরের স্বার্থজড়িত৷ এই আর্থিক বোঝাপড়ার সঙ্গে সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক কল্যাণের কোন  সম্পর্ক নেই৷ পুঁজিপতিরা রাজনৈতিক দলগুলোকে অর্থ দেয় তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে৷ রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে যে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে সেটা ওই ধনকুবেরাই যোগায়৷ প্রতিদানে তারা শাসকের কাছ থেকে আর্থিক মুনাফা লোটার সুযোগ পায়৷ শ্রী খাঁ বলেন--- নির্বাচনী বণ্ডের এখনও পর্যন্ত যতটুকু প্রকাশ পেয়েছে তাতে একটা জিনিস পরিষ্কার নির্বাচনী বণ্ডের সিংহভাগ টাকা কেন্দ্রীয়

কেন্দ্রীয় অর্থনীতি ব্যবস্থা বাতিলের দাবী আমরা বাঙালীর

প্রবীন আমরা বাঙালী নেতা খুশীরঞ্জন মণ্ডল বলেন--- শাসক ও পুঁজিপতি গোষ্ঠীর মধ্যে আর্থিক লেন-দেনের অভিযোগ আমরা বাঙালী দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে৷ আজ সুপ্রীম কোর্টের কঠোর পদক্ষেপে নির্বাচনী বণ্ড প্রকাশ হওয়ায় আমরা বাঙালীর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলো৷ প্রধানমন্ত্রীর সবকা সাথ সবকা বিকাশের আবাজও ফাঁকাবুলি৷ পুঁজিপতিরা অর্থবিনিয়োগ করে মুনাফা লোটার জন্যে সে ব্যবসায় হোক আর রাজনীতিতে হোক৷ অর্থের বিনিময়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে কবজায় এনে দেশীয় পুঁজিপতি গোষ্ঠী অর্থনীতির সঙ্গে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকেও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে৷ তাই এই সরকার জনস্বার্থের পরিপন্থি৷ এই সরকারের দ্বারা জনগণের সার্বিক কল্যাণ কখনই সম্ভব নয়৷ শ্রীমণ্ডল

বিকেন্দ্রীত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই গণতান্ত্রিক অর্থনীতির সার্থক রূপ

প্রবীর সরকার

দেশ পরিচালনা করা যদি সহজ হতো তাহলে কথাই ছিল না৷ সুগৃহকর্তা বা কর্ত্রী যদি না হয় তাহলে সে গৃহের কল্যাণ ও উন্নতি হয় না৷ ঠিক তেমনই রাষ্ট্রের প্রধান যদি সুশাসক না হয় তা হলে সেই রাষ্ট্র কখনোই উন্নতি করতে পারে না৷ আজ মনে পড়ে সেই অতীতের সুলতানী যুগের কথা৷ ভারত সম্রাট নাসিরুদ্দীনের বেগম রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়িয়ে ফেলেন তখন সম্রাটকে বেগম একজন দাসী রাখার প্রার্থনা জানান৷ তিনি কোরাণ নকল করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তাই তাঁর পক্ষে দাসী রাখা সম্ভব নয়  বলে বেগমকে জানান৷ আর রাষ্ট্রের কোষাগারের অর্থ প্রজাদের৷ সেই অর্থ অযথা ব্যয় কারর অধিকার তাঁর নেই৷ এই বোধ যদি শাসকদের না থাকে তাহলে তো তাঁরা ধার করেই শাসন পরিচ

ইজম ও মানব প্রগতি

পূর্ব প্রকাশিতের পর  ইজমের কারণে মানুষে মানুষে সুসম্পর্ক বিপর্যস্ত হয়৷ একজন তথাকথিত হিন্দু মুসলমানকে বিশ্বাস করে না, তেমনি একজন তথাকথিত মুসলমান হিন্দুকে বিশ্বাস করে না কেননা তারা দু’জনেই নিজ নিজ ইজমে পরম বিশ্বাসী৷ ইজমের সঙ্গে লজ্জাৰোধের (shamefulness) ঘনিষ্ট সম্বন্ধ৷ যখনই কোন একটি জাতি বা শ্রেণী বা প্রদেশ বা গোষ্ঠী তাদের আত্ম সম্মান খোয়াবার আশঙ্কা করে, তখনই তারা লজ্জাৰোধের দ্বারা প্রেষিত হয়ে তাদের আত্ম সম্মান বাঁচানোর জন্যে যে কোন নীচ কাজ করতে পিছপা হয় না৷ ইজমের সম্মান রক্ষার খাতিরে অনেকে আবার নানারকম কৃত্রিম ও লোক দেখানো আচার আচরণের আশ্রয় নেয়, যদিও তাদের মনের ভিত

ধর্মের যথার্ত স্বরূপ

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

স্বাধীন ভারতের জন্মই ধর্মান্ধদের শাণিত কৃপানে দেশ ভাগের মধ্য দিয়ে৷ স্বাধীনতার ৭৭ বছর পরেও দেশ সেই ধর্মান্ধদের হাত থেকে মুক্ত হলো না৷ বরং আজ মুর্খ কালিদাসের মত ধর্মান্ধদের শাণিত কৃপান হাতে খণ্ডিত ভারতের অখণ্ডতা রক্ষার আবাজ উঠছে শাসকের কন্ঠে৷ স্বাধীন দেশের বৃহত্তম জনগণ শিক্ষিত অশিক্ষিত সবাই ধর্মের প্রকৃত স্বরূপ না জেনে ধর্মমত নিয়ে হানাহনি করছে৷ সারা বিশ্বজুড়ে আজ যে সাম্প্রদায়িক জঙ্গিপনা–সাম্প্রদায়িক হানাহানি চলছে–এসবেরই পেছনে আছে এই ডগ্মা৷ ধর্মমতের নামে এই ধরনের অজস্র ডগ্মা মানবসমাজকে অজস্র অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার ও অমানবিক কাজকর্মের দিকে ঠেলে দিচ্ছে৷ ধর্মমতের নামে বিভিন্ন জাত–পাত সম্প্রদায়গত

পাপশক্তিকে প্রতিহত করতে চাই আদর্শ মানুষ

প্রভাত খাঁ

আর একটা লোকসভা নির্বাচনের রনদামামা বেজে গেছে৷ ভারতবাসীর গর্ব তারা বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের নাগরিক৷ কিন্তু নির্বাচনী ময়দানে প্রচারে নেমে নেতাদের বাক্য ও অঙ্গভঙ্গীর কদর্যরূপ শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে যায়৷ আসলে ধনকুবেরদের অর্থপুষ্ট নেতারা দুর্নীতিতে আকন্ঠ ডুবে আছে৷ এদের দ্বারা সর্বস্তরের মানুষের সার্বিক কল্যাণ কখনই সম্ভব নয়৷ এর জন্যে চাই আদর্শ মানুষ৷ এই আলোচনার বিষয় তাই আদর্শ মানুষ, আদর্শ সমাজ৷ মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব৷ তারই উপর পরম পিতা দায়িত্ব দিয়েছেন সকলকে রক্ষার৷ তা না করে ধ্বংসে মেতেছে৷ তাই সভ্যতা আজ দিশাহীন অসভ্যতা রূপে সৃষ্টিকে বার বার পরিহাস করেই চলেছে৷ এই চরম সংকটে সেই সব মানুষ য

‘কামময়’ কোষের পরিশোধনে ‘চরম নির্দেশ’-এর ভূমিকা

সমরেন্দ্রনাথ  ভৌমিক

 

‘কামময়’ কোষের পরিশোধনের জন্য ‘চরম নির্দেশ’-এর কি ভূমিকা বা ‘চরম নির্দেশ’ কতখানি প্রেরণা দিতে পারে তা বুঝতে হ’লে সর্বপ্রথমে আমাদের ‘নৈতিকতা’ বাMorality সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান নিতে হবে৷ ‘ৰাৰা’ (শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী) বলেছেন--- সাধনার ভিত্তিভূমি হ’ল ‘নৈতিকতা’৷ এই নৈতিকতা ছাড়া অর্থাৎ নৈতিকতাকে এড়িয়ে বা বাদ দিয়ে সাধনার প্রথম ধাপ অর্থাৎ ঈশ্বর-প্রণিধানের প্রতি মনোনিবেশ করা অসম্ভব৷ সাধনামার্গে যাত্রা শুরু করার ঠিক এই প্রথম ক্ষণটিতেই সাধকের যে মানসিক সাম্যের প্রয়োজন সেটাকেই বলা হয় নৈতিকতা৷ Morality)

গার্লস প্রাউটিষ্টের সমাবেশ

গত ৮ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে গার্লস প্রাউটিষ্টের পক্ষ থেকে কলিকাতায় একটি শোভাযাত্রা ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল৷ দুপুর ১২টায় ভি.আই.পি বাজার গার্লস প্রাউটিষ্টের কার্যালয় থেকে একটি ট্যাবলোসহ শোভাযাত্রা রুবি, গড়িয়াহাট, হাজরামোড় হয়ে রাজভবনে বিভিন্ন দাবী সম্মিলিত একটি স্মারকলিপি রাজ্যপালের হাতে তুলে দেন৷ সেখান থেকে বিবেকানন্দের বাড়ি হয়ে শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নিকটে সমবেত হয়৷ সেখানে একটি সমাবেশে বিভিন্ন বক্তা নারী পুরুষ বৈষম্য, নারী নির্যাতন, নারীর প্রতি অবহেলার অবসানের দাবী করে বক্তব্য রাখেন৷ বক্তাদের দাবী ছিল প্রাউটের বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজ থেকে নারী পুরুষ বৈষম্য দুর করা সম্ভব৷ বক্ত