Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

মহান আদর্শের জন্যে যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেন তাঁদেরই বলা হয় দধীচি

আচার্য সত্যশিবানন্দ অবধূ্ত

পুরাণে দধীচি ঋষির কাহিনী রয়েছে৷ এখানে বলা প্রয়োজন, প্রাচীনকালে ৪ ধরণের পুস্তক রচনা করা হ’ত৷ কাব্য, পুরকথা বা ইতিকথা, ইতিহাস ও পুরাণ৷ কাব্য হ’ল ছন্দ, উপমাদি সংযোগে রসসমৃদ্ধ আকর্ষণীয় রচনা৷ ‘বাক্যং রসাত্মক কাব্যম্’৷

পুরকথা হল ঘটনার আনুপূর্বিক বিবরণ৷ আবার পুরকথার কিছু কিছু ঘটনা --- যা বিশেষ ভাবে শিক্ষণীয়---তাকে কেন্দ্র করে বিশেষ এক ধরণের রচনাকে বলা হয় ইতিহাস৷ সংসৃকত পুরাবৃত্ত মানেই ইতিহাস নয়৷ ‘‘ধর্র্মর্থকামমোক্ষার্থ্ নীতিবাক্য সমন্বিতম্/ পুরাবৃত্ত-কথাযুক্তমিতিহাস প্রচক্ষ্যতে৷’’ যা জানার ফলে ধর্ম-অর্থ-কাম -মোক্ষ---এই চতুবর্গের ফলপ্রাপ্তি হয়--- যাতে নীতিকথা আছে এইরূপ যে পুরকথা বা ইতিকথা তাকেই ইতিহাস বলা হয়৷

আর, পুরাণ হ’ল লোকশিক্ষার্থে রচিত কাহিনী৷ এখানে সত্যমিথ্যাটা বড় কথা নয়, লোকশিক্ষাটাই বড় কথা৷

যা বলছিলাম, পুরাণ-কথিকায় আছে, বৃত্রাসুরের আক্রমণে দেবাতারা স্বর্গরাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে ব্রহ্মার কাছে অসুর দমনের উপায়ের সন্ধানে গেলেন৷ তখন ব্রহ্মা বললেন, প্রচলিত অস্ত্র দিয়ে বৃত্রাসুরকে নিধন করা যাবে না৷ যদি কেউ স্বেচ্ছায় নিজ অস্থিদান করে---ওই অস্থি দিয়ে নির্মিত অস্ত্রের সাহায্যেই একমাত্র বৃত্রাসুর বধ হতে পারে৷ তখন সমস্ত দেবতারা দধীচি মুনীর শরণাপন্ন হলেন৷ দধীচি মুনী সব জেনে সানন্দে নিজের জীবন দান করার জন্যে সম্মত হলেন৷ তারপর ‘দধীচি ত্যজিলা তনু দেবের মঙ্গলে’৷ তখন দধীচি মুনীর অস্থি দিয়ে বিশ্বকর্র্ম বানালেন বজ্র৷ আর সেই বজ্র দিয়ে ইন্দ্র বৃত্রাসুর নিধন করে অসুরদের পরাজিত করে স্বর্গরাজ্য পুনরুদ্ধার করলেন৷

বলাবাহুল্য, ‘স্বর্গ’ বলে ঊধর্বাকাশে কোথাও একটা পৃথক স্থান আছে আর ‘নরক’ নামেও পৃথক কোনো স্থান রয়েছে, এ ধারণা নিছক কাল্পনিক৷ আসলে স্বর্গ হল--- মনোজগতের এক উচ্চাবস্থা --- যাকে ভূমামনের ‘স্বর্লোক’ বলা হয়৷ নরকও তেমনি অধোগতি প্রাপ্ত মনেরই এক অবস্থা৷ তেমনি সুর বা দেবতা অথবা ‘অসুর’ বা দানব বলে পৃথক কোন জীব নেই৷

‘‘কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক৷

               কে বলে তা বহুদূর

মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক

               মানুষেতে সুরাসুর৷’’

তাই প্রকৃত পক্ষে, দেবতা হল সৎ মানুষদের প্রতীক,অসুর হল অসৎ অত্যাচারী মানুষের প্রতীক৷ আর ‘দধীচি’ হ’ল মহৎ আদর্শের জন্যে যাঁরা আত্মোৎসর্গ করেন তাঁদেরই প্রতীকী নাম৷

বর্তমানে প্রচলিত বাংলায় যাঁরা মহৎ আদর্শের জন্যে আত্মোৎসর্গ করেন তাঁদের জন্যে সাধারণতঃ ‘শহীদ’ শব্দ ব্যবহার করা হয়৷ আরবী ‘শহীদ্’ থেকে আগত বাংলা শ‘হিদ শব্দের প্রকৃত অর্থ ইসলাম ধর্মের জন্যে’ যারা জীবন উৎসর্গ করেন৷ আর Martyr-এর মূলগত অর্থ হ’ল, যাঁরা খৃষ্টধর্মের জন্যে আত্মত্যাগ করেছেন৷ যাইহোক, সেদিক থেকে ‘দধীচি’ শব্দটির অর্থ অনেক ব্যাপক---যাঁরা মহত্তর আদর্শের জন্যে আত্মোৎসর্গ করেন৷

‘দধীচি’ আসলে বিশেষ কোনো মুনীর নাম নয়, লোক শিক্ষার্থে রচিত পুরাণ কথিকায় মহান আদর্শের জন্যে আত্মোৎসর্গকারী প্রতীকী নামই ‘দধীচি’৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
আরও

সম্পাদকীয়

নোতুন পৃথিবী গড়তে আদর্শ মানুষ চাই
অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
মহানধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রে শিক্ষাদান হবে মানসিকতার ভিত্তিতে সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে কখনোই নয়
কৃত্রিম হিন্দী ভাষা নয় সংস্কৃত ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হোক
রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি প্রাউট প্রবক্তার সতর্ক বার্তা
তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র

পুরানো মাসিক খবর

  • June 2019 (110)
  • May 2019 (129)
  • April 2019 (111)
  • March 2019 (138)
  • February 2019 (122)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 8
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved