Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

গ্রেটার তিপ্রাল্যাণ্ড পরিকল্পনা ও এন.আর.সি প্রয়োগ রুখতে ত্রিপুরার সমস্ত বাঙালী ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলুন

গৌরাঙ্গ রুদ্রপাল
বাঙালী জাতিসত্ত্বা আজ এক চরম বিপদের সম্মুখীন৷ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রপথিক বাঙালীরাই স্বাধীনোত্তর ভারতে দেশভাগের বলি৷ দেশের অগ্রগতির অন্যতম কাণ্ডারী হল বাঙালী৷ অথচ দুর্ভাগ্য হল শোষণ, বঞ্চনা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন সংগ্রামী বাঙালীকে ইংরেজরা যেমন কোনদিন সহ্য করতে পারেনি তেমনি পশ্চিমী বেনিয়া প্রভাবিত দেশীয় নেতৃবৃন্দ ও কেন্দ্রের শাসকবর্গও বাঙালীকে সহ্য করতে পারছেনা৷ তাই স্বাধীনদেশে বাঙালীর প্রতি বঞ্চনার ইতিহাস দীর্ঘ৷ স্বাধীনতার ৭৫ বছরেও দেশভাগের বলি উদ্বাস্তু বাঙালীদের পুনর্বাসন সমস্যার আজও সমাধান হয়নি৷ বাঙালীর প্রতি বঞ্চনার এখানেই শেষ নয়৷ অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে নিজেদের চেষ্টায় বাঙালীরা যখন ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে একটু বাঁচার সংস্থান করার চেষ্টা করছে তখন ত্রিপুরার মতো রাজ্যে জমি ফেরৎ, ৬ষ্ঠ তপশীল আইন, টিএনভি চুক্তি, অসমে রাজীব-অগপ চুক্তি, এনআরসি, মনিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যাণ্ড, মেঘালয়ে ইনারলাইন পারমিট ইত্যাদি করে বাঙালীর ভূমির অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার থেকে শুরু করে সবকিছুই কেড়ে নেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ উল্লেখ্য যে অসমে, ইতোমধ্যেই এন.আর.সি আইন প্রয়োগ করে প্রায় ২০ লক্ষ বাঙালীকে বিদেশী তথা রাষ্ট্রহীন চিহ্ণিত করা হয়েছে৷ সেখানে ৯০ হাজারের অধিক বাঙালীকে ডিটেনশন ক্যাম্প নামক নরকে পাঠানোর জন্যে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্যাম্প বানানো হয়েছে৷ ত্রিপুরাতে দাবী উঠছে ৫১ সালকে ভিত্তি বছর ধরে এন.আর.সি আইন চালু করার৷  বাঙালীরা ত্রিপুরার ভূমিপুত্র হলেও এন.আর.সি কার্যকর হলে রাজ্যের অধিকাংশ বাঙালীই যে বিদেশী তথা রাষ্ট্রহীন চিহ্ণিত হয়ে সাংবিধানিক অধিকার হারাবে বলার অপেক্ষা রাখে না৷ এখন ত্রিপুরায় বাঙালীদের জন্যে আর একটি বড় বিপদ হলো--- গ্রেটার তিপ্রল্যাণ্ড৷ সবার আশঙ্কা, গ্রেটার তিপ্রাল্যাণ্ডের নামে এডিসি এলাকাকে সম্প্রসারিত করে গোটা ত্রিপুরা রাজ্যে নাগাল্যাণ্ডের ধাঁচে সর্বময় কর্তৃত্ব উপজাতিদের হাতে তুলে দেওয়া হবে৷ বর্তমানে রাজ্যের যে তিনচতুর্থাংশ জায়গা নিয়ে এডিসি, সেখানে বাঙালীদের ভূমি, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকুরি থেকে শুরু করে কোন কিছুর অধিকার নেই৷ শুধু রয়েছে উগ্রবাদীদের ভয়, নিরাপত্তাহীনতা৷ গ্রেটার তিপ্রাল্যাণ্ড হলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে, যে একতাবদ্ধ না হলে বাঙালীরা ধন, মান, জীবন রক্ষার্থে ত্রিপুরা ছাড়তে বাধ্য হবে৷ নতুন উপজাতি ভিত্তিক দল ‘তিপ্রামথা’র উত্থান ও এডিসি দখলের পর থেকেই হামলা, হুজ্জুতি ও গো-ব্যাক্‌ বাংলাদেশীর মতো উত্তেজক সাম্প্রদায়িক শ্লোগানের মধ্য দিয়েই যার কিছু কিছু লক্ষণ ত্রিপুরাতে দেখা দিতে শুরু করেছে৷ বর্তমানে রাজ্যে যেভাবে উগ্রবাদী তৎপরতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাতে ১৯৮০-এর জুনের গণহত্যার ভয়ও মানুষকে এখন তাড়া করে বেড়াচ্ছে৷ এমতাবস্থায়, সবকিছু দেখে শুণেও শুধুমাত্র সঙ্কীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে  বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালীদের পক্ষ হয়ে একটি কথাও বলছে না বরং ২০২৩-এর বিধানসভা নির্বাচনকে লক্ষ্য করে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের জন্যে সাম্প্রদায়িক দল তিপ্রামথার সঙ্গে জোট গড়ার চেষ্টায় মত্ত হয়ে আছে৷ ত্রিপুরা বাঙলার অঞ্চল, বাঙালীরাই হল এরাজ্যের ভূমিপুত্র৷  বাঙালীদের আর্থিক, দৈহিক, মানসিক ও বৌদ্ধিক শ্রমেই ত্রিপুরা গড়ে উঠেছে৷ প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ডঃ নলিনীরঞ্জন রায়চৌধুরী তাঁর ‘মাণিক্য শাসনাধীন ত্রিপুরার ইতিহাস ‘গ্রন্থে লিখেছেন--- ত্রিপুরা বলতে কোন নাম ছিল না এবং বর্তমান ত্রিপুরা ছিল পূর্ববাংলা বা সমতট বা হরিকেল রাজ্যের অংশ যাদের ব্যবহৃত মুদ্রা ত্রিপুরায় পাওয়া গেছে৷ একসময় ত্রিপুরার নাম ছিল শ্রীভূম৷ বিখ্যাত ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার তাঁর বাংলাদেশের ইতিহাস গ্রন্থে লিখেছেন--- ‘ত্রিপুরার রাজারা মূলতঃ মঙ্গোলীয় এবং বাঙালীদের সংস্পর্শে  এসে হিন্দুধর্ম ও সংস্কৃতিতে দীক্ষিত হয়েছেন৷’ প্রখ্যাত ঐতিহাসিক ও দার্শনিক শ্রী প্রভাতরঞ্জন সরকার তাঁর ‘বাংলা ও বাঙালী’ গ্রন্থে বলেছেন--- মুচাংফার নেতৃত্বে এক দল টিপ্‌রা উপজাতি বর্তমান আরাকান, শান অঞ্চল থেকে ৫৫০ বছর আগে দুর্ভিক্ষ তাড়িত হয়ে বাঁচার জন্যে তারা ত্রিপুরাতে আশ্রয় গ্রহণ করে৷ ত্রিপুরার একজন প্রখ্যাত মুদ্রা গবেষক ও ইতিহাস বিশ্লেষক প্রয়াত জহর আচার্যী প্রণীত ত্রিপুরার ইতিহাস গ্রন্থের প্রথম খণ্ডের ৮৮ পৃষ্ঠায়  উল্লেখ আছে ---চতুর্দশ শতাব্দীর পূর্বে ত্রিপুরায় তিপ্‌রা রাজাদের রাজত্বের কোনরকম প্রমান আজও মেলেনি বরং মিলেছে সমতট ও হরিকেল রাজ্যের প্রমাণ৷ যাইহোক, বর্তমান বাস্তবতা হচ্ছে ত্রিপুরা, জাতি-উপজাতি সকলের৷ অতীতের মতো বাঙালী-পাহাড়ীকে মিলেমিশেই সম অধিকার নিয়ে এরাজ্যে বসবাস করতে হবে৷ এমতাবস্থায়, আমাদের আহ্বান---আসুন বাঙালী বিরোধী সমস্ত শক্তিকে প্রতিহত করতে আমরা ঐক্যবদ্ধ শোষণ বিরোধী গণআন্দোলনের মাধ্যমে ‘প্রাউটে’র আদর্শে নতুন স্বয়ম্ভর ও সমৃদ্ধ ত্রিপুরা গড়ে তুলি৷
  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • April 2022 (168)
  • March 2022 (79)
  • February 2022 (385)
  • January 2022 (43)
  • November 2021 (121)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 2
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved