Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ইউক্রেন ---সবপক্ষের শুভবুদ্ধির উদয় হোক

বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে বড়ো সমস্যা হলো শক্তিধর দেশগুলি ছোট ছোট রাষ্ট্রগুলিকে কব্জায় এনে নিজেদের  প্রভাব প্রতিপত্তি বজায় রাখা ৷ এতে ছোট রাষ্ট্রগুলির  অস্তিত্ব বিপন্ন হচ্ছে৷  রাশিয়ার পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত বিখ্যাত শষ্যভাণ্ডার ইউক্রেন যার রাজধানী কিয়েভ তার উপর দুই শক্তি শালী রাষ্ট্র আমেরিকা ও রাশিয়া নিজেদের  সৈন্য সমাবেশ ঘটিয়ে ছোট রাষ্ট্রটিকে চরম অস্বস্তিতে ফেলেছে৷ স্মরণে থাকে যে জার্র্মনীর  হিটলার বিংশ শতাব্দীর ৪ দশকের শেষের দিকে বিশ্বযুদ্ধ আরম্ভ করে৷ সেই সময় রাশিয়া পোড়া মাটির নীতি নেয়৷ তার ফলে এই  ইউক্রেনের শষ্যভাণ্ডার ধবংস হয়৷ হিটলারের সঙ্গে এঁটে উঠতে  না পেরেই  রাশিয়া মিত্রপক্ষে যোগ দেয়৷ মিত্র পক্ষ হলো আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স, ব্রিটেন একত্রে হিটলারের সঙ্গে  যুদ্ধে নামে৷ অন্যদিকে অক্ষশক্তি যেমন জার্র্মনী, ইতালি, আর জাপান একত্রে  বিশ্বযুদ্ধ চালিয়ে যায়৷ এই বিশ্বযুদ্ধ চলে প্রায়  ১৯৩৯ সালের মাঝামাঝি থেকে ১৯৪৫ সালে মাঝামাঝি৷ হিটালারের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে আমেরিকা এ্যাটম বোম বর্ষন করে জাপানকে ধবংস করে দেয়৷ হিরোশিমা ও নাগাসাকি দুটি সমৃদ্ধশালী শহর শ্মশানে পরিণত হয়৷

সেই সময় পশ্চিমী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলি মিলিত হয়ে ও মিত্রপক্ষের কমিউনিষ্ট দেশ রাশিয়া একত্রে বসে য়্যুনাইটটেড  নেশন্স অর্গানাইজেশন নামে একটি  সংস্থা  ঘটন করে যাকে ইউ.এন.ও বলা হয়৷ এর প্রধান কর্র্ত্ত হয় আমেরিকা৷ আর এই মিত্র পক্ষ জার্র্মনীকে টুকরো টুকরো করে  নিজেদের মধ্যে প্রায় ভাগাভাগি করেই নেয়৷ কমিউনিষ্ট মতাদর্শে পৃথিবীতে যে রাষ্ট্রের জন্ম হয় তার পীঠস্থান হয় মস্কো এদিকে সারা পৃথিবীতে বিশেষ করে বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়ার অধিকাংশটাই ছিল মিত্রপক্ষের উপনিবেশ৷ সেগুলি একেবারেই  আর্থিক ও সামাজিক দিক থেকে সাম্রাজ্যবাদী ঔপনিবেশিক শাসকদের দ্বারা প্রচণ্ডভাবেই শোষিত হচ্ছিল৷ তারা ধীরে ধীরে  স্বাধীন হয়৷ কিন্তু সাম্রাজ্যবাদীরা ছলবল কৌশল করে তাদের  কর্ত্তৃত্ব বজায় রাখে পরোক্ষভাবে নিজেদের হাতেই৷

আমেরিকা দাদাগিরিটা বেশী করে৷ ন্যাটো, সিয়েটো আন্তর্জাতিক চুক্তি করে ঐ রাষ্ট্রগুলিকে ধরে রাখে৷ স্বাধীনতা প্রাপ্ত ভারতবর্ষকে ইংরেজ সরকার হিন্দুস্থান ও পাকিস্তান করে তাদের ইংরেজ সরকার কমনওয়েলথের  সদস্য করে আর  ভারতকে সিয়েটের সদস্য করে৷ ন্যাটোর সদস্য ভারত ছিল না৷

একদা সোভিয়েত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল ইউক্রেন ও রাশিয়া৷ আজ দুটো দেশ ইউক্রেনের দখল নিতে সীমান্তে  সৈন্য নামিয়েছে৷ ওদিকে ইউক্রেনে আমেরিকা সৈন্য পাঠিয়েছে৷ তার সাথে সাথে রাশিয়া ও সৈন্য সমাবেশ করেছে৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট মি. বাইডেন ভারতকে হুমকী দিয়েছে যে ভারত কে সমর্থন দিতে হবে তাকে কারণ ভারত সিয়েটার সদস্য সেই কারণে ন্যাটোকে সমর্থন জানাতে হবে৷ তা না হলে আমেরিকা ও ভারতের সঙ্গে  যে সম্পর্ক রয়েছে তার ফল ভালো হবে না৷ ভারতের বক্তব্য ইউক্রেন কাণ্ডতে দুই রাষ্ট্রে আমেরিকা ও রাশিয়া আলোচনার  মাধ্যমে মিটিয়ে নিক৷ এই বাইডেনের দাদাগিরিটা কিন্তু ভারতবাসী মেনে নিতে পারে না কারণ ভারত গোষ্ঠী নিরপেক্ষ দেশ৷ তাই ভারত  আমেরিকা ও রাশিয়ার সঙ্গে মিত্রতা বজায় রাখে৷ আর দু’দেশের কাছে নিরাপত্তার খাতিরে সামরিক সরঞ্জাম কেনে৷ সম্প্রতি রাশিয়ার কাছ থেকে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার সামরিক অস্ত্র কেনার চুক্তি হয়েছে৷ এতে মিঃ বাইডেন বিরক্ত৷ তাই ভারতের  উপর অর্থনৈতিক চাপ দিচ্ছে৷ ভারতের  কর্ত্তব্য দেশীয় প্রযুক্তি বৃদ্ধি করে দেশকে সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী করা৷ ধার করে অস্ত্র ও অন্যান্য ব্যবসা বানিজ্য ব্যাপারে দুটো দেশ থেকে কিছুটা সরে আসা, কারণ ভারতের  নিজস্ব সত্তাকে বজায় রাখাটা  দরকার , কারণ ভারত কোন গোষ্ঠীর নয়৷ ভারত পররাজ্য কোনদিনই গ্রাস করেনে৷ মানবতাবাদেই ভারত বিশ্বাসী৷

পৃথিবীতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই ইউ.এন.ও জন্ম হয়েছে৷ তাই ইউক্রেনের  সমস্যা মেটাবেন ইউ.এন.ও৷ তাছাড়া যদি প্রয়োজন হয় তা হলে ইউ.এন.ও সৈন্য পাঠাবে ইউক্রেনে কারণ কারোরই আগ্রাসী নীতি চলবে না এই পৃথিবীতে৷ অত্যন্ত দুঃখের কথা ভারত  সীমান্তে তো চীন ও পাকিস্তান এক নাগাড়ে অশান্তি করছে৷ আর চীন উত্তরপূর্ব ভারতে অভ্যন্তরে প্রবেশ করে জমি দখল করে রেখেছে৷ তার তো কোন প্রতিকার হয়নি৷ ইউ.এন.ও কে আরো সচেতন ও নিরপেক্ষ হতে হবে৷ তবেই তাঁর প্রকৃত গুরুত্ব বাড়বে নচেৎ শক্তিধর রাষ্ট্রগুলির দাপাদাপি বাড়বে, আর নীরব দর্শক হয়েই ইউ.এন.ও কে থাকতে হবে৷ চীনের আচরণ মোটেই মিত্র সুলভ নয়৷ আগ্রাসী মনোভাবটাই বেশী৷ পাকিস্তান বর্তমানে তার দোসর৷

সকলেরই স্মরণে রাখা উচিত মানবতাকে যদি মর্য্যাদা না দেওয়া হয় এই পৃথিবীর মেকী সভ্যতা ও সংস্কৃতি বাঁচবে না৷

জীবনের সর্বক্ষেত্রে যদি ‘‘বাঁচ আর অপরকে  বাঁচতে দাও’’ এই  বোধ জাগ্রত না হয় তা  হলে  সভ্যতা ও মানব সমাজ এগুতে পারবে না৷৷ তাই শক্তিশালী দেশগুলিকে অবশ্যই সংযত হতে হবেই৷ বিশ্বৈকতাবোধকে অবশ্যই মান্যতা দিয়ে তাকে বরণ করে নিতেই হবে৷ এটাই বিশ্বস্রষ্ঠার নির্দেশ৷

বেশ বোঝা যাচ্ছে রাশিয়া ও চীন ভিন রাষ্ট্র গ্রাসে ওৎ পেতেই আছে৷  রাশিয়া ইউক্রেনের পূর্ব এলাকায়  সম্প্রতি প্রায় ১৪৬ রাউণ্ডগুলি চালিয়ে বাড়ি ধবংস করে দিয়েছে৷ এই পরিস্থিতিতে  ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট মিঃ ভলদিমির জেলেনস্কি ফোনে রাশিয়ার পুতিনকে সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন আলোচনার জন্য৷ উভয়পক্ষের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক৷ বিশ্ববাসী শান্তি চায়৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • April 2022 (168)
  • March 2022 (79)
  • February 2022 (385)
  • January 2022 (43)
  • November 2021 (121)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 2
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved