Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

যুদ্ধবাজদের স্বর্গরাজ্য পৃথিবীতে শান্তির পরশ দিতে পারে---একমাত্র প্রাউটের আর্থসামাজিক তত্ত্বের বাস্তবায়ন

প্রভাত খাঁ

মানুষের জীবনে শান্তি কোথায়! এর সন্ধানই হলো মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড়ো খোঁজা৷ তবে সেটা শুধু পারে আত্মবিশ্বাসী মানুষজন অন্য কোন প্রাণী নয়৷ এর একমাত্র সদুত্তর পাওয়া যায় প্রাণী মহান দার্শনিক শ্রদ্ধেয় শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের প্রগতিশীল উপযোগ তত্ত্বে, যদি এই তত্ত্বকে কোন মানুষ বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে ব্রতী হয়৷ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষই পারে শান্তি পেতে যদি সে এটার সাধনায় ব্রতী হয়৷ মানুষের তিনটি দিক আছে যথা দেহ, মন ও আত্মা এই তিনের যে অভাব তাদের পূর্ত্তির জন্য আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হতে হয়৷ দেহের প্রয়োজন অন্ন,বস্ত্র,শিক্ষা,চিকিৎসা ও বাসস্থান এই পাঁচ বিষয় তার চাইই চাই৷ তা না হলে দেহের অভাব বোধ তাকে অশান্তির আগুনে পোড়াবে৷ এই অভাব যদি না থাকে তা হলে সেই মানুষ এগুতে পারবে আর শান্তিও পাবে৷ তাই কথায় আছে পেটের জ্বালা বড় জ্বালা৷ এই স্থূল জগতে ঐ পাঁচটি জিনিস নিয়েই চলছে ছল চাতুরী ও লাঠালাঠি৷ এই পাঁচটি জিনিষ নিয়ে চলছে নানা ধরণের   কারচুপী৷ নিম্নমধ্যবিত্ত, দারিদ্র্যসীমার নীচে যারা পড়ে আছে তারা শিকার হচ্ছে বঞ্চনার৷ অভাবের তাড়ণায় তাদের রাতের ঘুমই কেড়ে নেওয়া হচ্ছে৷ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস না পাওয়াতে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে৷ তাদের কাছে শান্তি দূরস্ত৷

মানুষ মননশীল জীব, তাই তার মনের অভাবপূরণ হওয়াও জরুরী৷ তার দরকার স্নেহ, মমতা ও ভালোবাসা পাওয়া, তাছাড়া মনের খাদ্য হলো নাচ গান খেলাধূলা, সু-সাহিত্য কবিতা পাঠ যার মধ্য দিয়ে মন তৃপ্তি পায় তার যোগান, তাছাড়া তার মনের মধ্যে  যে সব সম্পদ আছে তাদের বিকাশের সুযোগ পাওয়া৷ আর তার দ্বারা সে সমাজে প্রতিষ্ঠা অর্জনের  সুযোগ  পায়ে শান্তি লাভ করবে৷ এই অভাবপূরণের ব্যবস্থা করাটা হলো সমাজের দায়িত্ব আর শাসকদলের৷

তৃতীয়টি হলো মানুষ এর আত্মজ্ঞানকে পূর্ত্তির সুযোগ দান করা৷ এটি পাওয়া যায় সৎগুরুর সান্নিধ্যে৷ এটাই হলো আধ্যাত্মিক জীব মানুষের সবচেয়ে অতি প্রয়োজনীয় সম্পদ শান্তি লাভের৷ এটি হলো অসীম ও অনন্ত সম্পদ৷ এর কোন খামতি নেই৷ তাই মানব জীবনে ত্রয়ীর বিকাশ ঘটলে অর্থাৎ অভাবপূরণ হলেই তার জীবনে পূর্ণ শান্তির অভাব ঘটবে না৷

আমি কে? এইটি হলো সবচেয়ে বড়ো প্রশ্ণ মানুষের জীবনে৷ নিজেকে আধ্যাত্মিক সাধনার মধ্যে যুক্ত করে যতো জানবে সে ততই শান্তি পাবে অর্থাৎ আনন্দলাভ করবে৷ তখন তার জীবনে কোন অভাব থাকবে না৷ ধীরে ধীরে সে হয়ে উঠবে সার্থক মানুস এর সার্থক মানুষ অর্থই হবে সার্থক মানুষ পরিপূর্ণ মানুষ৷ আজ মানুষ হাঁৎড়ে বেড়াচ্ছে---শান্তি পেতে কিন্তু শান্তি কোথায় তার জানা নেই৷ গীতায় তাই বলা হয়েছে আত্মানাং বিধি---অর্থাৎ আত্মাকে জান৷ পরমাত্মা হলেন সকলেরই আপন, তিনি শ্বাশ্বত ও অনন্ত৷ আর পূর্ণ শান্তি লাভ তাকে পেলেই৷ তাই বলা হয় আমরা যথা হতে আসি তথায় ফিরিয়া যাই দীর্ঘ প্রবাসের পর৷ খুব সোজা কথা হলো মানুষের জীবনটাই সেই পরমাত্মার সঙ্গে মিলিত হওয়া৷ কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের কথা মায়ার সংসারে মানুস সেটা  ভুলে যায়৷ তাঁর কথা শুণতেই ভয় পায়৷ বর্ত্তমান জগতে  বস্তুবাদে, ভোগবাদেই, আটক পড়েছে মানুষ৷ ওসবের  ধার ধারে কাছে যায় না তাই স্থূলবস্তু পেয়ে ও তার মনে শান্তি নেই৷ শুধু পাই পাই রব আর হারাই হারাই আতঙ্ক৷ তাই রবীন্দ্র বলেছেন তাঁর অন্তিম কবিতায়---‘‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছো আছন্ন করি বিচিত্র ছলনা জালে হে ছলনাময়ী৷’’

মনে রাখা দরকার মানুষ ভোগ সর্বস্ব জীব নয়, মানুষ আধ্যাত্মিক জীব৷ তাই বলা হয় মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব৷ তার কাজই হলো নিজেকে জানা৷ সেটা জানতে পারলেই অনন্ত শান্তি  আর অনন্ত আনন্দ৷ আনন্দমার্গই হলো সবার পথ৷ কারণ শ্রষ্ঠা সেই পথে বিচরণ করেন৷

তাই দেহকে কেন্দ্র করে তিনটি দিকের পূর্তি ঘটাতে হবে৷ তা হলেই অনন্ত শান্তি৷ স্থূল ভোগে ও প্রাপ্তিতে আছে দুঃখ৷ মানব জীবন লাভের মূল লক্ষ্যই হলো সেই মঙ্গলময় ঈশ্বর সম্প্রীতি, কিন্তু মায়ার সংসারে এসে সাধারণ মানুষ বিষয়, আশায়ে মুগ্দ হয়েই থাকে৷ এই টানাটানির মধ্য দিয়েই যেতে হয় মানুষকে৷

ভারতবর্ষের মুনি ঋষিগণ আমাদের জীবনের লক্ষ্যটা কি তার সন্ধান দিয়ে গেছেন৷ তাই তাঁরা ঘোষনা করেছেন--- মানুষ হলো অমৃতের সন্তান৷ তাই তাকে সেই অমৃতকে লাভ করতেই হবে৷ তাঁরাই ঘোষণা করেছেন ভূমাকে লাভ করাই  হলো জীবনের লক্ষ্য৷ তাতেই সুখ অর্থাৎ শান্তি৷ তাছাড়া কিছুতেই সুখ অর্থাৎ শান্তি নেই৷

মানুষের ছয় রিপু আছে যেমন কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ, মাৎসয্য৷ এটা যদি মানুষ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে৷ তা হলে মানুষের ভাগ্যে জুটবে নানা অশান্তি৷ মানুষকে সংযত হয়ে চলতে হয়৷ কিছু নিয়মকানুন মানতে হয়৷ যেমন যম ও নিয়মে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করতে হয়৷ এগুলি অত্যন্ত আবশ্যিক৷ মানুষ হয়ে যদি যা পাই তাই খাই  আর যা ইচ্ছে তাই করি তা ঠিক নয় আর মানুষের কাজ করাটা যে শুধু নিজের প্রয়োজন মেটানো তা নয়৷ মানুষ সমাজ বদ্ধজীব তাই সমাজকে কিছুটা সেবা দিয়ে নিজেকে কিছুটা পরোপকারী হিসাবে, উদার হিসাবেই তৈরী করতে হয়৷ তবেই মানুষ নামের সার্থকতা৷ আসল কথা হলো সৎ সঙ্গ জীবনে বিশেষভাবে জরুরী৷ যারা নিজেদের সম্বন্ধে বেশী সচেতন আর অন্যের কথা ভাবে না বা ভাববার প্রয়োজনই মনে করে না তারা অতি অনুদার ও স্বার্থপর৷ তারা জীবনে  শুধু অভাব বোধ করে অসন্তোষ জাত অশান্তিতে জ্বলে মরে৷

তাই বলা হয় ভোগে নয় ত্যাগেই শান্তি৷ ত্যাগ সেই করতে পারে যে পরোপকারী মানসিকতার অধিকারী৷ তারাই  শান্তি পায়৷ মানুষ যেহেতু মননশীল প্রাণী তাই কিছুটা অন্তরমুখী হওয়াটা অতীব জরুরী৷ অন্তরমুখী হওয়ার মূল অর্থ হলো আত্মসাধনা করা অর্থাৎ আধ্যাত্মিক পথে যাওয়া৷ এর জন্য সৎগুরু খুঁজতে হয় যিনি শিষ্যের সার্বিক কল্যাণ চিন্তা করেন ও জোর করে তাকে সেই আত্মজ্ঞান লাভের পথে টেনে নিয়ে যান৷ মোদ্দা কথা হলো আধ্যাত্মিক সাধনার পথই হলো মুক্তির পথ যে পথে সেই জগৎ গুরুর সন্ধান পাওয়া সম্ভাবনা আছে৷

এই সাধনাটি ২৪ ঘন্টায় দু’বার করতে হয় আর এই পথের সন্ধান পেতে কিছু কিছু বই পড়তে হয়৷ যেমন বাংলার গীতা পাঠ করে তার অর্থবোঝার চেষ্টা করতে হয়৷ বর্ত্তমানে এদেশে তো আধ্যাত্মিক পথের সন্ধান দিতে তো অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংঘটন আছে তার মধ্যে তো আনন্দমার্গ প্রচারক সংঘ অন্যতম৷ এই মহান পথের সন্ধান দেন৷ ভৌতিক জগতের মধ্যে থেকে শুধু টাকার পশ্চাতে ছুটে, দৈহিক ভোগে ডুবে থাকলে আর মানসিক ও আত্মিক দিককে অন্ধকারে রেখে ফাঁকিবাজী করলে হবে না৷ তাই মহান আধ্যাত্মিক সৎগুরু ও দার্শনিক শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী ওরফে মহান দার্শনিক শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের উক্তি--- প্রণিপাত, পরিপ্রশ্ণ, সেবা--- এই তিনটি তত্ত্বকে মেনে চললে মানুষের আধ্যাত্মিক প্রগতি হবেই৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
ঈশ্বর–প্রণিধানের মানসাধ্যাত্মিক প্রক্রিয়া
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
প্রাউটের দৃষ্টিকোন থেকে : ত্রিপুরার উন্নয়ন
আরও

সম্পাদকীয়

পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!
সমাজ–সভ্যতা বাঁচাতে চাই আদর্শ শিক্ষা

প্রবন্ধ শিরোনাম

  • দিব্য অনুভূতি
  • আমার বাঙলা
  • গল্প হলেও সত্যি 
  • সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ
  • বিধবস্ত দার্জিলিং---প্রকৃতির প্রতিশোধ
  • একটি ঐতিহাসিক তথ্য
  • ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান
  • আমার সন্তান যেন থাকে  দুধে ভাতে

পুরানো মাসিক খবর

  • April 2022 (168)
  • March 2022 (79)
  • February 2022 (385)
  • January 2022 (43)
  • November 2021 (121)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 2
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved