Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

বৈষয়িক ক্ষেত্রে সামঞ্জস্য স্থাপনের মধ্য দিয়ে পরাগতির দিকে এগিয়ে চলা

শ্রী শ্রী আনন্দমূর্ত্তিজী

আমি অবশ্যই বর্তমান কালকে অস্বীকার বা অবহেলা করতে পারি না৷ এর অর্থ আমাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে আমি কোথায় আছি আর ঠিক বর্তমানে আমাকে কী করতে হবে৷ কিন্তু বর্তমান কাকে বলব?

আমরা জানি বর্তমান, অতীত আর ভবিষ্যতকে নিয়ে কাল তিনটি৷ এই তিন ধরনের কাল আসলে কী? বস্তুতঃ বর্তমান কাল বলে ঠিক কোন কিছু নেই৷ আমি যখন কিছু বলি, তুমি ততক্ষণাৎ তা শুণতে পাও না৷ কিছুটা বিরতির পরে তুমি সেটা শুণতে পাও৷ তাহলে সেই বিরতিটা কী? শব্দ বায়ুর দ্বারা বাহিত হয়ে কাণে পৌঁছতে যে সময় লাগে সেটাই বিরতি৷ আর যখন তা তুমি শোণ সেটা আমার কাছে কিন্তু অতীত, আর তোমার কাছে তা ভবিষ্যৎ কেননা অল্পক্ষণ পরে তুমি তা শুণতে পাচ্ছ৷

তাহলে কী করা উচিত? দেখ খুব স্পর্শকাতর ইন্দ্রিয়কেও খুব দীর্ঘ আর খুব হ্রস্ব কোনো তরঙ্গকে গ্রহণ ও আত্মস্থ করতে গেলে কিছুটা সময় লাগে৷ তাই অতীত আর ভবিষ্যতের মধ্যে যে অল্প পার্থক্য আমরা খুঁজে পাই সেটাকেই আমরা বলি বর্তমান৷ এখানে আমার বলা আর তোমার শোণার মধ্যে যে অল্পক্ষণের বিরতি, মানুষের ইন্দ্রিয় বলা আর শোণার এই দুইয়ের মধ্যে যে দূরত্ব তার পার্থক্য করতে পারে না৷ আমরা বলি বটে এটা বর্তমান কাল কিন্তু আসলে বর্তমান কাল বলে কিছু হতে পারে না৷ কিন্তু ভগবান সদাশিব বলেছেন ‘‘বর্ত্তমানেষু বর্ত্ততে’’ অর্থাৎ তুমি বর্তমান কালকে নিয়ে থাকবে৷ এই কথাটার প্রকৃত তাৎপর্য হ’ল মানসিক দিক থেকে তুমি সর্বদা বর্তমান কালের মধ্যেই থাকবে৷ এর অর্থ তুমি কখনই বর্তমান কালকে অস্বীকার বা অবহেলা করবে না৷

এই কথাটার অন্তর্নিহিত তাৎপর্য কী? মানবীয় অস্তিত্ব শারীরিক, মানসিক আর আধ্যাত্মিক৷ এই তিনের মধ্যে শারীরিক বা জাগতিক অস্তিত্ব খুবই স্থূল মানসিক অপেক্ষাকৃত কম স্থূল, তুমি বলতে পার সূক্ষ্মতর আর আধ্যাত্মিক স্তর সূক্ষ্মতম৷ তাই বর্তমান কালের অস্তিত্ব মানসিক থেকে জাগতিক স্তরে বেশী প্রধান, আর আধ্যাত্মিকের চেয়ে মানসিক ক্ষেত্রে বেশী স্পষ্ট৷ বাস্তবে আধ্যাত্মিকতার ক্ষেত্রে বর্তমান, অতীত আর ভবিষ্যতের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকে না৷ আর তাই যিনি আধ্যাত্মিক স্তরে সুপ্রতিষ্ঠিত, তিনি বর্তমান–তীত–ভবি মধ্যে কোনো তফাৎ খুঁজে পান না তিনি হয়ে যান সর্বজ্ঞ৷ কিন্তু মানসিক স্তরে পার্থক্য আছে, আর জাগতিক স্তরে এই পার্থক্য সবচেয়ে বেশী প্রধান৷

এখানে ভগবান সদাশিব বলছেন যে স্থূল জাগতিকতার ক্ষেত্রে তোমাকে জাগতিক জীবনকে অবশ্যই যথোপযুক্ত গুরুত্ব দিতে হবে৷ আমি এটাকেই বলি বৈষয়িক জীবনে সামঞ্জস্য স্থাপন অর্থাৎ জাগতিক স্তরে তুমি যাই কর বা করবে তার মধ্যে উপযুক্ত সামঞ্জস্য বজায় থাকতে হবে৷ এইক্ষেত্রে তোমাকে উপযুক্ত ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে৷ এই সামঞ্জস্য আর ভারসাম্য তোমার মানসিক ক্ষেত্রেও থাকতে হবে৷ আমি আগেই বলেছি মানসিক স্তরে অস্তিত্বটা হচ্ছে কম স্থূল আর বেশী সূক্ষ্ম, আর যেহেতু তা সূক্ষ্মতর তাই এখানে সময়গত দূরত্ব অপ্রধান৷ জাগতিক স্তরে এই সামঞ্জস্য স্থাপন বেশী সময়সাপেক্ষ কেননা মানুষের মানসিক দেহ স্থূল দেহের থেকে বেশী সূক্ষ্ম৷ আমাদের আধ্যাত্মিক প্রগতি শুরু হয় এই মানসিক জগত বা স্তর থেকে– মানসিক স্তর থেকে শুরু হয়ে আধ্যাত্মিকতার অন্তিম বিন্দুতে শেষ হয়৷ তাই এখানে সময়গত দূরত্বের কোনো গুরুত্বই নেই৷ গতি যেহেতু পরমসত্তার পানে তাই সেখানে কালিক তত্ত্বের কোনো গুরুত্ব থাকে না৷

তাই মানুষের গতি হবে মানসিক থেকে পরমাত্মার দিকে যেখানে সময়ের কোনো গুরুত্ব নেই কিন্তু জাগতিক স্তরে একজনকে অনেক রকমের জাগতিক কাজ ও কর্তব্য পালন করতে হয়৷ মানুষকে খাদ্য, আশ্রয়, চিকিৎসা, শিক্ষা, বস্ত্র ও অন্যান্য কত কিছু সংগ্রহ করার দায়িত্ব নিতে হয়৷ আর স্থূল জাগতিক স্তরে এইসব কাজকর্মের ক্ষেত্রে স্থান–কাল–পাত্রের মূল্য অবশ্যই আছে এখানে, তা না হলে মানুষ ঠিকভাবে এগিয়ে যেতে পারে না৷ যদি মানুষ তার মনের যথোপোযুক্ত উপযোগ করতে চায় তবে তাকে জাগতিক কর্ম, মানসাধ্যাত্মিক গতি আর মানসাধ্যাত্মিক প্রগতির মধ্যে একটা সামঞ্জস্য, একটা ভারসাম্য বজায় রেখে চলতেই হবে৷ এইজন্যেই আমি বলি যে মানুষের জীবনে বৈষয়িক সামঞ্জস্য স্থাপনের সঙ্গে পরাগতির সন্তুলন থাকতে হবে৷ যদি কেবলমাত্র পরমাত্মিক গতিই থেকে গেল তাহলে কিন্তু ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাবে৷ তাতে সমগ্র মানবসমাজ অধঃপতিত হয়ে যাবে৷ আবার যদি কেবল জাগতিক কাজকর্মই থাকল আর আধ্যাত্মিক প্রগতি হ’ল না, তাহলে মানবীয় অস্তিত্ব পশু অথবা উদ্ভিদের স্তরে পর্যবসিত হবে, যা কখনই কাম্য নয়৷ তাই আধ্যাত্মিক সাধককে এই সামঞ্জস্য আর সন্তুলনের কথা সর্বদা মনে রেখে চলতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই৷

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

‘কৃষ্ণ’ নামের একাধিক ব্যাখ্যা
মনকে ভারমুক্ত রাখ
অষ্টকমল
ভারতবর্ষ ও আধ্যাত্মিকতা
গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পূর্বার্দ্র তত্ত্ব
যোগাযোগের প্রাথমিক মাধ্যম হিসেবে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাঞ্ছনীয়
মানব প্রগতি
সংস্কৃতি ও সভ্যতা
পরিকল্পনার মৌল নীতি
আরও

সম্পাদকীয়

বিদ্বেষ বিষে জর্জরিত বিজেপি
বাঙালী আর একটা অগ্ণি স্ফুলিঙ্গের অপেক্ষায়
প্রতিকুলতাকে প্রতিহত করে এগিয়ে চলার দুর্জয় ইচ্ছাশক্তি বাঙালীর আছে
মশাহীন দেশের তকমা ধরে রাখতে পারল না আইসল্যান্ড
বিকশিত বাঙলার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি নয় মানবতার আর্থিক মুক্তি চাই

প্রবন্ধ শিরোনাম

গোরাচাঁদ ও একতারা
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার রক্ষা ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রাখার প্রধান দায়বদ্ধতা হলো যৌথভাবে কেন্দ্র ও রাষ্ট্রের নির্বাচন কমিশনেরই আর স্বৈরাচারিতাকেও নিয়ন্ত্রণ করা!
হিংস্র দুঃসময় বাঙালীর দুয়ারে
আর্থিক বিকাশ শেষ কথা নয়
গোরাচাঁদ ও একতারা
নাগরিকত্ব প্রত্যেক মানুষের মৌলিক অধিকার---তথাকথিত এস আই আর এর নামে একজনও বাঙালীর নাগরিকত্ব হরণ করা চলবে না--- চক্রান্ত করে তথাকথিত এস আই আর-এর মাধ্যমে কোন বাঙালীকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না
কেন্দ্র সরকারের ডি.এ নিয়ে বোটবাজীটা নির্বাচন প্রাক্কালে এটা কোন ধরনের কেন্দ্র সরকারের গণতান্ত্রিক সেবা
গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষার এস.আই.আর প্রক্রিয়া ফ্যাসিবাদী হিন্দুত্বের আগ্রাসনের হাতিয়ার

পুরানো মাসিক খবর

  • February 2026 (220)
  • August 2022 (106)
  • July 2022 (93)
  • June 2022 (167)
  • May 2022 (92)
Pagination
  • Page 1
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved