Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

অর্থনৈতিক বৈষম্যের করুণ চিত্র - অর্থনীতির কেন্দ্রীকরণ, পুঁজিবাদী শাসনব্যবস্থার পরিণাম

নিজস্ব সংবাদদাতা
Tue, 09-02-2021

লকডাউনের সময় যখন দেশের সাধারণ মানুষের জীবন দুঃসহ হয়ে উঠেছে, কোটি কোটি মানুষ কর্মহীন হয়েছে, সেই সময় দেশের ধনকুবেররা ফুলে ফেঁপে উঠেছে৷ অর্থনীতির মানচিত্রে যখন জিডিপির মান শূন্যের নীচে, তখন দেশের ধনকুবেরদের  ভান্ডার উপচে পড়েছে৷

সম্প্রতি অক্সফ্যাম ‘ইনইকুয়ালিটি ভাইরাস’ নামে একটি অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে৷ ওই প্রতিবেদনে ভারতের অর্থনৈতিক বৈষম্যের  করুণ চিত্রটি প্রকাশ পেয়েছে৷ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে লক্‌ডাউনের সময় ভারতের ১০০ জন ধনকুবের ৩৫ শতাংশ সম্পদ বাড়িয়েছে লক্‌ডাউন চলাকালীন৷ যার পরিমাণ ১৩ লক্ষ কোটি টাকা৷ এই টাকায় দেশের ১৩ কোটি ৮০ লক্ষ দরিদ্রতম মানুষের হাতে  প্রত্যেককে ৯৪ হাজার টাকা দেওয়া যেত৷ প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে ধনকুবেরদের ভাণ্ডার ভরে উঠলেও লকডাউনের সময় কর্মহীন হয়েছে ১২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ৷ ভারতের ধনীতম ব্যষ্টি মুকেশ আম্বানি প্রতি সেকেন্ডে যা আয় করেন, একজন শ্রমিকের সেই পরিমান অর্থ আয় করতে তিন বছর  লাগবে৷ ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে প্রথম সারির ১১ জন ধনকুবের লকডাউনে যে সম্পদ বাড়িয়েছে তা  দিয়ে আগামী ১০ বছর ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প চলে যাবে৷ লকডাউন চলাকালীন মুকেশ আম্বানি প্রতিঘন্টায় ৯০ কোটি টাকা উপার্জন করেছেন৷ অথচ সাধারন মানুষের ২৪ শতাংশের মাসিক আয় তিন হাজার টাকার নীচে ছিল৷ এই হচ্ছে প্রধান মন্ত্রীর ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশে’র হাল চিত্র৷

অক্সফ্যামের আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকাশ লকডাউনে মুকেশ আম্বানির  বর্দ্ধিত সম্পদে  দেশের ৪০ কোটি দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষের মুখে পাঁচ মাস অন্নতুলে দেওয়া যেত৷ লক্‌ডাউনে  ফুলে ফেঁপে ওঠা ধনকুবেরদের তালিকায় মুকেশ আম্বানি ছাড়াও রয়েছেন--- গৌতম আদানি, সাইরাস পুনাওয়ালা, শিব নাদার,আজিম প্রেমজি, সুনীল মিত্তল, উদয় কোটাক, রাধাকৃষ্ণন দামানি, কুমার মঙ্গলম বিড়লা, লক্ষ্মী মিত্তল প্রমুখ৷

প্রাউটিষ্ট ইয়ূনিবার্সালের সাধারণ সচিব  আচার্য রবীশানন্দ অবধূত বলেন, অর্থনীতির কেন্দ্রীকরণ ও পুঁজিবাদী শাসন ব্যবস্থার বিষময় ফল অর্থনীতির এই বৈষম্য৷  তিনি বলেন৷ পুঁজিবাদ বজায় রেখে এই বৈষম্য দূর করা কখনই সম্ভব নয়, বরং দিন দিন বৈষম্য আরও বাড়বে৷ পুঁজিবাদী শাসন ব্যবস্থা বজায় রেখে আত্মনির্ভরতার কথা পাগলের প্রলাপ৷

আচার্য রবীশানন্দ অবধূত বলেন---প্রগতিশীল উপযোগ তত্ত্বের (প্রাউট) বাস্তবরূপে দিয়ে অর্থনীতির এই সমস্যার সমাধান সম্ভব৷ তিনি বলেন প্রাউটের নীতি অনুযায়ী সমাধান হ’ল--- অর্থনীতির বিকেন্দ্রীকরণ, প্রতিটি মানুষের হাতে ক্রয়ক্ষমতা, বিচার সম্মত বন্টন ব্যবস্থা, সমস্ত রকম জাগতিক ও মানব সম্পদের সর্বাধিক উপযোগ গ্রহণ, সৎ ও আদর্শ মানুষের নেতৃত্ব---প্রাউটের ভাষায় যাদের বলা হয়-সদবিপ্র৷

তিনি প্রাউটিষ্টদের আহ্বান জানিয়ে বলেন -গতানুগতিক জীবন কাটিয়ে  সময় নষ্ট করবেন না৷ এই বৈষম্যের অবসান ঘটিয়ে সমাজে পরিবর্তন আনতে ভৌতিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সার্বিক বিকাশ আনার লক্ষ্যে মানুষকে  সচেতন করার কাজে নেমে পড়তে হবে প্রাউটিষ্টদের৷ একাজ অসম্ভব মনে হলেও নিষ্ঠার সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করলে কোন কাজই অসম্ভব নয়৷ প্রাউটিষ্টরাই পারবে শোষণ মুক্ত সমাজ গড়তে৷

 

 

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
আরও

সম্পাদকীয়

অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র
দিব্য অনুভূতি
আমার বাঙলা
গল্প হলেও সত্যি 
সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ

পুরানো মাসিক খবর

  • April 2022 (168)
  • March 2022 (79)
  • February 2022 (385)
  • January 2022 (43)
  • November 2021 (121)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 2
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved