একটি ঐতিহাসিক তথ্য
- Read more about একটি ঐতিহাসিক তথ্য
- Log in to post comments
বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙালী পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচার অব্যাহত৷ ‘সব থেকে ভয়াবহ দুটি ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্রে৷ বীরভূম জেলার নলহাটির বাসিন্দা নইমুদ্দিন শেখ মহারাষ্ট্রের ভাণ্ডুপে ২৫ বছর ধরে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন৷ তিনি যে সংস্থায় কাজ করতেন সেখানে তার আট লক্ষ টাকা পাওনা হয়৷ সেই অর্থ তিনি মালিকের কাছে চেয়েছিলেন৷ কয়েকদিন পরেই তাঁর রক্তাক্ত দেহ রাস্তায় পাওয়া যায়৷ নইমুদ্দিন শেখের বাবার অভিযোগ বকেয়া আট লক্ষ টাকা চাওয়ার জন্য তার ছেলেকে খুন করা হয়েছে৷ অপর ঘটনাটি ঘটে মুম্বাইতে৷ নলহাটিরই ছেলে রাহুল সিং টাকা না পেয়ে স্থানীয় থানায় সাহায্য চাইতে গিয়েছিল৷ ওই শেঠ রাহুলের দুটি কানই কেটে
সম্প্রতি হারুণ ইণ্ডিয়া ওয়েলথ-এর একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে ভারতে গত চারবছরে ধনী পরিবারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে৷ প্রতি ৩০ মিনিটে একটি করে পরিবার কোটিপতি হয়ে উঠছে৷ অর্থনীতির পরিভাষায় এদের বলা হয় ডলার মিলিওনেয়ার৷ ভারতীয় হিসাবে যাদের সম্পদ সাড়ে আট-কোটি ছাড়িয়ে গেছে৷ যদিও টাকার অঙ্কে পরিমাণটা আহামরি কিছু নয়৷ কিন্তু ভারতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তের তুলনায় অঙ্কটা অনেক৷
২০২০ সাল থেকে দেশের নিরাপদতম শহর পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলিকাতা৷ এটা রাজ্য সরকারের দাবী নয়৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের অধীনস্ত ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (এন.সি.আর.বি) প্রতিবছর দেশের প্রধান প্রধান শহরে সংঘটিত অপরাধের পরিসংখ্যান প্রকাশ করে৷ ২০২০ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পর পর চারবছর এন.সি.আর.বির প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংঘঠিত অপরাধের পরিসংখ্যানে কলিকাতা সবার নীচে৷ অর্থাৎ কলকাতায় সংঘঠিত অপরাধের সংখ্যা অনেক কম৷ বিরোধীদের মুখে ঝামা ঘষে দেশের নিরাপদতম শহরের শিরোপা কলকাতার মাথায়৷
‘‘যাবন্নক্ষীয়তে কর্ম শুভঞ্চাশুভমেবচ,
তাবন্নজায়তে মোক্ষো ণৃণাং কল্পশতৈরপি৷
যথা লৌহময়ৈঃ পাশৈঃ পাশৈঃ স্বর্ণময়ৈরপি,
তথা ৰদ্ধো ভবেজ্জীবো কর্মাভিশ্চ শুভাশুভৈঃ৷৷’’
(তন্ত্র)
আজকাল অনেক জায়গাতেই গভীর নলকূপের সাহায্যে জল তুলে চাষ করা হয়, এটা বিজ্ঞান সম্মত নয়, কারণ যত পরিমাণ জল তোলা হয়, তত পরিমাণ জল ওই গভীরতায় ফিরে যেতে পারে না৷ রোদের তাপে অনেকটা বাষ্প হয়ে যায়, আর কিছুটা গাছপালারা টেনে নেয়৷ এর ফলে জল–তল হু হু করে নেবে যায়৷ মালদা, নদীয়া ও অন্যান্য জেলায় যেভাবে গভীর নলকূপ ব্যবহার করা হচ্ছে তা যদি বন্ধ না করা হয় তাহলে জল–তল এত নেবে যাবে যে ভবিষ্যতে সেচের জলের অভাবে সমস্ত ফসল ও গাছপালা মরে যাবে৷ চাষীদের এই সমস্যা সম্বন্ধে সচেতন হতে হবে৷ নদীর জলকে সেচের কাজে লাগানোটাই সর্বোত্তম উপায়৷৪৭
এই রাজ্যের শ্রমিকরা ভিন্ন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে নানাভাবে নির্মমভাবে অত্যাচারিত হচ্ছে,প্রাণহাণিও ঘটছে৷ এদের একমাত্র পরিচয় এরা বাঙালী, বাংলা ভাষায় কথা বলে৷ করোনা কাল থেকে এদের পরিচয় হয়েছে---পরিযায়ী শ্রমিক৷ যদিও এক দেশ, এক আইন, এক নির্বাচন আইনের ধবজাধারীদের কাছে কোন যুক্তি গ্রাহ্য জবাব পাওয়া যায়নে--- এক দেশ এক আইনের মধ্যে থেকেও এক রাজ্যের মানুষ জীবিকার সন্ধানে অন্যরাজ্যে গেলে পরিযায়ী হয় কেমনে৷ তাছাড়া এই নয় যে শুধু বাঙলা থেকেই মানুষ অন্যরাজ্যে জীবিকার সন্ধানে যাচ্ছে৷ অন্যরাজ্যের বহু মানুষও এই রাজ্যে জীবিকার সন্ধানে আসছে৷ বরং এই আসার সংখ্যাটা যাওয়ার থেকে অনেক বেশী৷
আজ প্রকৃতির বুকে অসংখ্য মানুষের সমাজে অসংখ্য জনগোষ্ঠী আছে৷ যাদের অন্যতম পরিচয় তাদের মাতৃভাষা যে ভাষা প্রতিটি মানুষ তার মায়ের কাছ থেকে প্রাকৃতিক কারণে পায়৷ আর যে সামাজিক আচার অনুষ্ঠান সেই বাল্যকাল থেকে পায় মায়ের মাধ্যমে সেটি আর যে ধর্মমত পায় বা শুনে সেটি স্বাভাবিক পাওয়া৷ মা হলেন শিশুর পিতা কে শিশুকেই জানান৷ তিনিই শিশুর জন্মদাতা হন৷ এই ধরণের সে সংখ্যক মানুষ অতি প্রাচীনকাল থেকে এই স্থানে আত্মীয় স্বজনের মত বাস করেন৷ তাঁহাই হন প্রতিবেশী৷ এমনটি হতে অতি প্রাচীনকাল থেকে অনেক বছরই লেগেছিল৷ সংগ্রামের মধ্য দিকে এই মানুষের নারী পুরুষদের চলতে হতো৷ ধীরে ধীরে সেই সমাজের মধ্যে এমন কিছু সাহসীও সংগ্রামী মানু
খুুকুড়দহ হাইস্কুলে একসঙ্গে পড়াশুনা করেছি৷ প্রতিদিন বিকালবেলা খেলার মাঠে দেখা হবেই৷ মাঠেই মধ্যেও সবার নজর একটি ছেলের দিকে৷ যেমন সবার সাথে অমায়িক মধুর ব্যবহার তেমন তার ক্রীড়াশৈলীও নজর কাড়ার মত৷ ক্রীড়াপ্রতিযোগিতা হলে বা বাইরের স্কুলের সঙ্গে কোন ম্যাচ হলে একটি দলের সেই অধিনায়ক৷ পড়াশোনার থেকে খেলাধূলার দিকেই ঝোঁকটা একটু বেশী, তবে পঠন-পাঠনকে বাদ দিয়ে নয়, কবে কবে যে আমাদের উভয়ের মধ্যে একটা অন্তরের সম্পর্ক তৈরী হয়েছে তা নিজেরাই বুঝতে পারিনি, শুধু দেখি লুকিয়ে চুরিয়ে মেলা, যাত্রা বা টুর্ণামেন্টের আসরে যেতে হলে একে অপরকে বাদ দিয়ে ঐ সব স্থানে যাওয়ার কথা কল্পনাই করতে পারতাম না৷ একাদশ শ্রেণীতে যখন পড়ছি,
নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।
সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত
Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved