Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ফাঁসীর মঞ্চে গাইলেন যিনি জীবনের জয়গান

পথিক বর

একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি,

হাসি হাসি পরব ফাঁসী দেখবে ভারতবাসী৷’

এই গানটি আজও অনেক বাঙালীর রক্তে আগুন ধরায়৷ ১৯০৫ সাল৷ সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশ বাঙলাকে দুর্বল করতে ভাগ করে দু’টি আলাদা রাজ্য ঘটন করে৷ প্রতিবাদে গর্জে ওঠে সারা বাঙলা৷ বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে পথে নাবেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও৷ আন্দোলনকে দমন করতে সাম্রাজ্যবাদী বিদেশী শাসকও দমন-পীড়ন ও অত্যাচারের আশ্রয় নেয়৷ এরই মাঝে বাঙলার একদল দামাল তরুণ ত্যাগের মন্ত্রে দীক্ষা নেয় অত্যাচারী শাসককে তারই ভাষায় জবাব দিতে৷ সেদিনের সেই অত্যাচারী শাসকদের একজন ছিলেন ম্যাজিষ্ট্রেট কুখ্যাত কিংসফোর্ড৷ এই কিংসফোর্ডকে উপযুক্ত জবাব দিতে তৈরী হলেন বিপ্লবী তরুণ দল৷ কিংসফোর্ড তখন মজফরপুরে৷ কিশোর ক্ষুদিরাম বসু আর এক কিশোর প্রফুল্ল চাকীকে সঙ্গে নিয়ে মজফরপুরে পৌঁছলেন অত্যাচারী শাসককে মুখের মত জবাব দিতে৷ জবাব তারা দিয়েছিলেন৷ কিন্তু ভুলবশতঃ কিংসফোর্ড বেঁচে যায়৷ মারা যান দুই ইংরেজ মহিলা৷ প্রফুল্ল চাকী ধরা পড়ার আগেই নিজের হাতের রিভলবার দিয়েই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন৷ ধরা পড়েন ক্ষুদিরাম৷ যথারীতি অত্যাচারী শাসকের বিচারের প্রহসনে ফাঁসীর আদেশ হয় ক্ষুদিরামের৷ ১৯০৮ সালের ১১ই আগষ্ট সেই আদেশ কার্যকর হয়৷ প্রত্যক্ষদর্শী ক্ষুদিরামে উকিলের বর্ণনা থেকেই জানা যায় ফাঁসীর মঞ্চে ওঠার আগে ক্ষুদিরাম এতটুকু বিচলিত ছিলেন না৷ বরং হাসতে হাসতে তিনি ফাঁসীর মঞ্চে ওঠেন৷ দেশের জন্য আত্মত্যাগের, বলিদানের পথ দেখিয়ে গেলেন ক্ষুদিরাম৷ পরবর্তীকালে সেই পথ ধরেই দেশের জন্য জীবন বলিদান দিয়ে যায় আরও শত-সহস্র তরুণ৷ তাঁদের আত্মত্যাগ ও বলিদানেই দেশ স্বাধীন হয়৷ কিন্তু আজ একদল ক্ষমতালোভী, ধূর্ত, কপট নেতারা সেই ত্যাগ ও বলিদানকে ব্যঙ্গ করে দেশের কর্ণধার হয়ে বসেছে৷ তাই আসুন ক্ষুদিরামের বলিদানে দেশবাসীর প্রার্থনা হোক---আর এক বার ফিরে আসুক ক্ষুদিরাম, আর একবার জেগে উঠুক জালাবাদ, বুড়িবালাম৷ নোতুন করে উদয় হোক চট্টগ্রামের সূর্য৷ আর একবার দুর্নীতিপরায়ণ ধূর্ত শাসকের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিক মহাকরণের অলিন্দ৷

আত্মত্যাগে মহান, দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ হে মহান ক্ষুদিরাম লহ প্রণাম৷

  • Log in to post comments

আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ

গীতায় ধর্মদেশনা –– ১
দগ্ধৰীজ
শ্রাবণী পূর্ণিমা
পরমপুরুষের বিশ্বরূপ
যজ্ঞ প্রসঙ্গে
আরও

প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়

পরিকল্পনার মৌল নীতি
বাঙলার অর্থনৈতিক উন্নয়ন 
শোষণের বহুবিধ রূপ
মানবিক মৌলনীতি
পাপ, পুণ্য ও অপরাধ
আরও

সম্পাদকীয়

অধঃপতিত সমাজ---উত্তরণের পথ কি
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা কেন্দ্রীত অর্থনীতির বিনাশই সমাধান
শ্রাবণী পূর্ণিমা
সরিবে দুর্নীতিরাজ
পেট্রল ও ডিজেলের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধি!

প্রবন্ধ শিরোনাম

তোমার আসা যাওয়া
সমবায়ের মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে গ্রামীন বেকারত্ব দুর করা সম্ভব
কালীপূজা ও তন্ত্রসাধনা
সমাজ শাস্ত্র
দিব্য অনুভূতি
আমার বাঙলা
গল্প হলেও সত্যি 
সমাজ-এর সৃষ্টিই সভ্যতার প্রথম বিকাশে তাই সমাজ রক্ষা করা মানবতাবাদী শাসকের কাজ

পুরানো মাসিক খবর

  • October 2020 (87)
  • September 2020 (72)
  • August 2020 (52)
  • July 2020 (80)
  • June 2020 (96)
Pagination
  • Previous page ‹‹
  • Page 5
  • Next page ››
আরও আগের খবর
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved