শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী পার্থিব দেহের মহাপ্রয়াণ দিবসে কলকাতায় আনন্দমার্গীদের মহাসমাবেশ

২১শে অক্টোবর মহাসম্ভূতি শ্রীশ্রীআনন্দ–মূর্ত্তিজ্ পার্থিব দেহের মহাপ্রয়াণ দিবস৷ ১৯৯০ সালের ২১শে অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৩টার সময় কলকাতাস্থিত মার্গগুরুভবন ‘মধুকোরকে’ তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন৷ পত্রিকা প্রতিনিধি

উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে মাঝেরহাটে আবার সেতুভঙ্গ

গত ৪ঠা সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে হঠাৎ বিকট শব্দে চারদিক কাঁপিয়ে যানবাহন নিয়ে ধসে পড়ল মাঝেরহাট সেতু৷ ব্রীজের ওপর তখন ছিল একটি চার চাকা গাড়ী, একটি মিনিবাস ও কয়েকটি মোটর সাইকেল৷ ব্রীজের নীচেও কয়েকজন… নিজস্ব সংবাদদাতা

কেরালায় প্রকৃতির তাণ্ডব নব্যমানবতাবাদই একমাত্র ভরসা

কেরালায়  দীর্ঘদিন  ধরে একটানা  প্রবল বর্ষণে  অভূতপূর্ব বন্যা দেখা দেয়৷ প্রবল  জনস্রোতে ভেসে যায় অগণিত ঘরবাড়ী৷ এ যেন প্রকৃতির  ভয়ঙ্কর  ধবংসলীলা৷ এখন পর্যন্ত  সরকারীভাবে ৩৭৩ জনের  মৃত্যুর  কথা ঘোষণা… নিজস্ব সংবাদদাতা

এন.আর.সি.-র নামে ৪০ লক্ষ বাঙালীর নাগরিকত্ব কেড়ে নেবার বিরুদ্ধে  ‘সারা ভারত অসম সংহতি মঞ্চে’র প্রতিবাদ সভা ও পদযাত্রা

পুরুষানুক্রমে অসমে বসবাসকারী ৪০ লক্ষ বাঙালীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বে-নাগরিক করে দিচ্ছে উগ্র, অন্ধ, স্বৈরাচারী শক্তি৷ নিজস্ব সংবাদদাতা

বাঙালী বিরোধী চক্রান্তের প্রতিবাদে কলকাতার অসমভবন ও মণিপুর ভবনের সামনে আমরা বাঙালীর বিক্ষোভ প্রদর্শন

এন.আর.সি’ চূড়ান্ত খসড়া তালিকা থেকে ৪০ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়ায় ৩১শে জুলাই বিকেল অসম ভবনের সামনে আমরা বাঙালীর পক্ষ থেকে বিক্ষোভ প্রদর্শন পি.এন.এ.

আনন্দমার্গের  সমাজশাস্ত্রে নারীর স্থান

সুশীলা দেবী

সমাজ সম্পর্কে আনন্দমার্গ দর্শনের প্রণেতা শ্রীশ্রীআনন্দমূর্ত্তিজী বলেছেন–‘‘নীতিবাদের স্ফূরণ থেকে বিশ্বমানবত্বে প্রতিষ্ঠা–এ দুয়ের মাঝখানে রয়েছে যেটুকু অবকাশ তাকে অতিক্রম করার যে মিলিত প্রয়াস তারই নাম সামাজিক প্রগতি, আর যারা মিলেমিশে চেষ্টা করে এই অবসরটুকু জয় করবার প্রয়াসে রত হয়েছে তাদের নাম একটা সমাজ৷’’ সমাজ  সম্পর্কে এই স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয় ইতোপূর্বে মানুষ পায়নি৷ উপরিউক্ত সংজ্ঞা থেকেই ধারণা করা যায়, আনন্দমার্গের দর্শনশাস্ত্র, ধর্মশাস্ত্র ও সমাজশাস্ত্রের চিন্তাধারা প্রচলিত সমস্ত প্রকার দর্শন ও শাস্ত্রের তুলনায় উন্নত, স্বতন্ত্র ও বিপ্লবধর্মী, সর্বপ্রকার সংকীর্ণতামুক্ত উদার ও সার্বভৌম পথের

স্বামীজীর ভাবশিষ্য নেতাজীর দর্শন চিন্তা

এগার বছরের ছেলেটি৷ র্যাভেনশ কলেজিয়েট সুক্লের ছাত্র৷ ভারি সুন্দর দেখতে৷ টানা টানা চোখ৷ একমাথা কালো চুল৷ পুষ্টল গোলগাল মিষ্টি মুখখানা৷ দেখার সঙ্গে সঙ্গেই ভালবাসতে ইচ্ছে করে৷ কিন্তু যে বয়সের যা   তার ভীষণ ব্যতিক্রম এই ছেলেটির স্বভাবে৷ কোথায় সারাদিন খেলা–ধুলো নিয়ে মেতে থাকবে তা’ নয় – লাজুক ও গম্ভীর প্রকৃতির ছেলেটি – সকলের সঙ্গ এড়িয়ে – একাকী বসে বসে কী সব ভাবতেই যেন ভালাবাসে৷ ভাসা ভাসা চোখের প্রসারিত দৃষ্টি মেলে সে যখন বসে থাকে – দেখে মনে হয় – সে কিছুই যেন দেখছে না, শুধু ভাবছে আর ভাবছে   আবার কখনো মনে হয় কী যেন খুঁজছে অথবা ঢুকতে চাইছে কোনো গভীরতর ভাবনার অন্তরঙ্গ প্রদেশে৷

প্রাউটের দৃষ্টিতে গ্রামোন্নয়ন

একর্ষি

‘‘বাণিজ্যে  বসতি লক্ষ্মী’’–এই প্রবাদ বাক্যটি দিয়েই মূল প্রসঙ্গে আসা যাক৷ ভারতীয় ‘‘দেব–দেবী ভাবনায় ‘লক্ষ্মী’ হ’ল ধনের অধিষ্ঠাত্রী দেবী৷ কিন্তু যেখানেই ‘ধন’ সেখানেই অর্থের কেন্দ্রীকরণ৷ অর্থ এক জায়গায় সঞ্চিত অথবা এক বা মুষ্টিমেয় মানুষের কুক্ষীগত না হলে ধন সৃষ্টি হয় না৷ পুঁজিপতি হওয়া যায় না৷ অতিরিক্ত ধন বা পুঁজি কেন্দ্রীকরণ হলেই বঞ্চনা শোষণের ক্ষেত্র তৈরী হয়৷ আবার বাণিজ্যে ধনাগম মানেই মুনাফামুখী অর্থনৈতিক ক্রিয়া–কলাপ৷ সর্বাধিক মুনাফা যেখানে লক্ষ্য, সেখানে শোষণ–বঞ্চনার ক্ষেত্র তৈরী হয়৷ কেননা জনস্বার্থ এক্ষেত্রে  উপেক্ষিতই থেকে যায়৷ কাজেই মানুষের সর্বাধিক কল্যাণ কাম্য হলে অর্থ–মুনাফার কেন্দ্রীয়কর

পুঁজিবাদ নয়, মার্কসবাদ নয়, চাই নোতুন আদর্শ

প্রবীর  সরকার 

শুভ নববর্ষ৷ সবাইকে আন্তর্জাতিক নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই৷ ২০১৭ সাল পেরিয়ে ২০১৮ সালে পা দিলুম৷ আমরা কোথায় আছি? পেছনের দিকে তাকিয়ে আমরা কী দেখছি? একদিকে এক শ্রেণীর ধনিক ও উচ্চবিত্ত শ্রেণীর বিপুল বিলাসিতা, পাশাপাশি জনসাধারণের বৃহদংশের চরম দারিদ্র্য ও বেকারত্ব৷ দুর্নীতিতে সারা দেশ ভরে গেছে৷ গরীব মানুষের টাকা লুঠে নিচ্ছে জনপ্রতিনিধির মুখোসধারী এক শ্রেণীর ভদ্র লুঠেরা৷ অথচ এঁরাই সমাজে নেতা বলে পরিচিত৷ তারপর মেয়েদের ওপর জঘণ্য নারকীয় অত্যাচার–যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না৷ মনে হয় মানুষ এখন তার মনুষ্যত্ব হারিয়ে বিবেক বিচারবুদ্ধিহীন পশুতে পরিণত হয়ে যাচ্ছে৷

সভ্যতার সঙ্কট ও তার প্রতিকার

আচার্য গুরুদত্তানন্দ অবধূত

সবাই সুখ চায়, শান্তি চায়৷ কিন্তু বর্তমান পরিবেশ পরিস্থিতি সুখ বা শান্তির জন্যে অনুকূল নয়৷ অর্থ দিয়ে মানুষ কত কি করছে৷ সুখ শান্তি সে তো অর্থকরী ফসল নয় যে অর্থ দিয়ে তা কিনবে৷ তা মানুষের কর্মের পরিণতি৷ বর্তমান এ জটিল পরিস্থিতিতে এককভাবে শান্তি রক্ষা করাও সম্ভব নয়৷ তাই সামূহিক জীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে হলে চাই শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা৷ আর তারই জন্যে প্রয়োজন কুসংস্কার মুক্ত বৃহদাদর্শ৷ ‘‘যত মত তত পথ’’ হলে এখন আর চলবে না৷ সর্বধর্ম সমন্বয়ও আর কাজে লাগছে না৷ তাই চাই সংগ্রামী জীবন, বলিষ্ঠ মন, কর্মতৎপর,  সৎসাহসী গোষ্ঠীবদ্ধ মানুষ৷ কী তাঁদের কাজ?

নূতন  বছরের  প্রত্যাশা

জ্যোতিবিকাশ সিন্হা

কালের আবর্তনে আবার একটা বছর অতিক্রান্ত৷ আন্তর্জাতিক ক্যালেন্ডারের পাতায় ২০১৭-র অবসানে  ২০১৮ সনের আগমন৷ ঘটনার ঘনঘটায় পরিপূর্ণ একটি বছর  হাসি-কান্নার সংমিশ্রনে প্রভাবিত করেছে মানুষের ব্যষ্টিগত জীবন কখনো সাফল্যের রশ্মিচ্ছটায় আবার কখনো ব্যর্থতার নিকষ আঁধারে৷  নববর্ষের নূতন স্পর্শে মানুষ জেগে ওঠে নবশক্তি সঞ্চারে --- নোতুন লক্ষ্যকে সামনে রেখে৷ অতীতের  সাফল্য তাকে  নূতন লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলতে প্রেরণা দেয় আর ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা ফেলে আসা দিন গুলোর ভুল ত্রুটি শুধরে  নিজেকে গুছিয়ে নিতে শেখায়৷  আগামী দিনের স্বপ্ণ আ র আশা মানুষের চালিকাশক্তি৷  এই শক্তিই ব্যষ্টিজীবন ও সমাজ জীবনে  নব উদ্দীপনার উন্মেষ ঘটা

মানব জীবনে বিজ্ঞান ও ধর্ম

সৌমিত্র পাল

পূর্ব প্রকাশিতের পর

যোগাসন অভ্যাসকারীদের কিছু কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে---

১) কারো কথা শুনে কিংবা বই পড়ে নিজে নিজে আসন অভ্যাস করবেন না৷  এটা ঠিক অভিজ্ঞ  চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই শক্তিশালী ঔষধ সেবন করার মতই অনুচিত৷ ভুল আসন শরীরে কুপ্রভাব ফেলবেই৷

২) তাড়াহুড়ো করে আসন অভ্যাস একেবারেই অনুচিত৷ এতে হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ পড়ে রক্তসঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে৷

৩) আসন করার পর  অঙ্গ সংবাহন (Massage of whole body) অবশ্যই করবেন৷

৪) আসন অভ্যাসের পর অভ্যাসকারীকে অবশ্যই আরাম বোধ করতে হবে, ক্লান্তি নয়৷

ভারতের ইতিহাসের কলঙ্কিত অধ্যায়

একর্ষি

বিশ্বাসঘাতকতা ভারতের ইতিহাসকে বারবার কলঙ্কিত করেছে---

৩২৭ খ্রীঃ পূঃ- ম্যাসিডন রাজ আলেকজান্ডার  এর ভারত অভিযানে তক্ষশীলার রাজা অস্তি কেবল বশ্যতা স্বীকারই করেননি, গ্রীক বাহিনীকে পথ দেখিয়ে নিয়ে আসেন, আর সেনা ও পরামর্শ দিয়ে গ্রীক বাহিনীকে নানাভাবে ভারতীয় ভূখন্ড দখলে সাহায্য করেন৷ বর্র্ণবতীর  রাজা শশী গুপ্ত প্রমুখ অনেক রাজাই আলেকজান্ডারকে নানাভাবে সাহায্য করে বশ্যতা স্বীকার করে৷’’ ভারতের ইতিহাসে দেশদ্রোহির এটাই ছিল প্রথম উদাহরণ৷’’ ড. রমেশচন্দ্র  মজুমদার৷

গণতন্ত্রের স্বার্থে ভারত সরকার এফ.আর.ডি.আই. বিল আইনে পরিণত করা থেকে বিরত থাকুন

প্রবীর সরকার

এবার বিজেপি সরকার লোকসভায় ‘‘এফ.আর.ডি . আই নামে আর্থিক বিল আনছে যে কালা কানুন গরিবের কষ্টার্জিত টাকা ব্যাঙ্কগুলি নিয়ে নিতে পারে গ্রাহকদের সম্মতি ব্যতীতা৷  এই কথা বলা হচ্ছে এই কারণে তা হলো ছোট ছোট আমানতকারীরা এই কালা কানুনে নিঃস্ব হয়ে যাবেন৷  গত১৯৬১ সালের  আর্থিক সংস্থান বিষয়ে একটি আইন করা হয় যে আইনে ব্যাঙ্কের আমানতকারীদের কিছুটা নিরাপত্তা ছিল গচ্ছিত টাকার ব্যাপারে তাতে  এক লক্ষ  টাকার ইনসোরেন্স গ্যারান্টি ছিল৷ এই বিল পাশ হলে তার আর থাকব না৷