বাংলা বানান সংশোধন

অসংস্কৃতি– ‘সংস্কৃতি’র বিপরীত শব্দ ‘অপকৃতি’ চলতে পারে, তবে ‘অপসংস্কৃতি’ চলতে পারে না৷ কারণ ‘সংস্কৃতি’ (সম্–কৃ  ক্তিন্

রাষ্ট্রসঙ্ঘে স্বীকৃতি পেল বাংলা ভাষা

গত ১০ই জুন রাষ্ট্র সংঙ্ঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে বহুভাষাবাদের পক্ষে অ্যান্ডোরা ও কলম্বিয়ার আনা প্রস্তাব গৃহীত হয়৷ গৃহী

নিজস্ব সংবাদদাতা

আনন্দমার্গ স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রের যুগান্তকারী আবিষ্কার

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার ছেলে সাবির হোসেন এক বিশেষ ধরণের পাউডার আবিষ্কার করেছেন যা ব্যবহারে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতস্থানের রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে৷ পি.এন.এ.

সুপ্রিম কোর্টে সাতে নেই বাংলা প্রতিবাদে সরব ‘আমরা বাঙালী’

সুপ্রিম কোর্ট তার রায় প্রকাশের মাধ্যম হিসাবে হিন্দী, ইংরাজীর সাথে আরও পাঁচটি ভাষাকে বেছে নিয়েছে৷ তার মধ্যে উড়িয়া, অসমিয়া থাকলেও বাংলা ভাষার স্থান হয়নি নিজস্ব সংবাদদাতা

২১শে ফেব্রুয়ারীঃ মাতৃভাষা প্রেমিকদের জীবনে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন

মনোতোষ মণ্ডল

আন্তরিক ভাব ও অনুভূতি সমূহ প্রকাশ করার যে মাধ্যম, তাকে বলা হয়--- ভাষা৷ সুতরাং ভাষা হচ্ছে--- প্রতিটি মানুষের প্রাণীন সম্পদ বা প্রাণধর্ম৷ কিন্তু এই ভাষা হচ্ছে---মানুষের সত্তাগত বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত৷ যদিও একজন মানুষ একাধিক ভাষায় কথা বলতে সক্ষম, তবুও বলে রাখি, মাতৃভাষায় ভাব প্রকাশ করা সর্বাধিক সহজ৷ কারণ অন্য যে কোন ভাষায় সহজতর উপায়ে মনোভাব প্রকাশ করা সম্ভব হয় না৷ সুতরাং অন্যান্য ভাষার তুলনায় মাতৃভাষার মহত্ব যে কোন মানুষের জীবনে সর্বাধিক তাৎপর্যপূর্ণ৷

মানব সভ্যতার জনক শিব

পত্রিকা প্রিতিনিধি

‘‘তমসাবৃত নিশীথে আলোর আমেজ কি কেবল মানুষই চায়?....সবাই চায়৷ তিমিরাচ্ছন্ন আস্তিত্বিক বিস্মৃতির ভেতর দিয়ে উত্তরণের উত্তাপ.....বেঁচে থাকা....বেড়ে থাকার আকুতির পরিপূর্তি সবাই চায়৷ সবাইকার এই চাওয়াটা পাওয়ার মাধুর্যে পূর্ণত্বের দিকে এগিয়ে চলবার প্রথম সুযোগ যে মহাশম্ভূতির মাধ্যমে পৃথিবী পেয়েছিল তার সম্বন্ধে যথাযথভাবে আলোচনা মানুষ করেনি৷’’

মিঃ ট্রাম্পের নয়া আমদানি শুল্ক নীতি মারাত্মক আর্থিক শোষণনীতি তাই চুক্তিবদ্ধ রাষ্ট্রগুলি সাবধান

প্রভাত খাঁ

আমেরিকার সবচেয়ে বড় ব্যবসাদার হলেন রাষ্ট্রপ্রধান মিঃ ট্রাম্প৷ এদিকে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান হিন্দুত্ববাদী শ্রী মোদিজীর মধ্যে এক যৌথ বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে আগামী ৫ বছরে ৫০,০০০ হাজার কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়া৷

দধীচি দিবস কেন?

প্রভাত খাঁ

পুরাণের গল্পগুলো খুবই শিক্ষনীয়৷ আসুরিক শক্তির বিনাশে দধীচি মুনির আত্মত্যাগ সেরকমই এক শিক্ষনীয় কাহিনী৷ পুরাণ বর্ণিত কাহিনী অনুযায়ী বৃত্তাসুর নামের এক অসুর স্বর্গরাজ্য জয় করে দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়ণ করে৷ নিরুপায় দেবতারা বিষ্ণুর কাছে স্বর্গ উদ্ধারে সাহায্য প্রার্থনা করেন৷ দেবতাদের কাতর আবেদন শুণে বিষ্ণু বলেন---কেউ স্বেচ্ছায় জীবন দান করলে তার অস্থি নির্মিত বজ্রের সাহায্যে বৃত্তাসুর কে বধ করা সম্ভব হবে৷

‘‘একুশে ফেব্রুয়ারী’-এক জাগরণের দিন”

বরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আন্তর্জাতিক ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসে ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ এক স্মরণীয় ও বরণীয় দিন৷ ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ ভাষাগত মূল্যবোধে এক জাগ্রত প্রহরী৷ একুশ ধন্য হওয়ার একটি দিন, একুশ আমাদের চেতনার রঙে রাঙানো একটি দিন৷ একুশের কোন সীমাবদ্ধতা নেই, পেশীর বাঁধনে একুশকে বন্দী করা যায় না, একুশ অমর অজেয় ও অসীম৷

ইতিহাসের সরণী বেয়ে ও প্রকৃতির চিরায়ত আবর্ত্তনের পথ ধরে একুশ যখন আমাদের চেতনা আর চিত্তের আকাশে আত্মপ্রকাশ করে তখন আমরা প্রাণিত ও উজ্জীবিত হই৷ একুশে ফেব্রুয়ারীর সূর্য্যস্নাত সকাল আমাদের চিত্তের দুয়ারে টোকা দেয় ও আমাদের ভাষাগত মূল্যবোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়৷

উপরাষ্ট্রপতির কেন ইচ্ছে হলো পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় বক্তব্য রাখার

শ্রী নিরপেক্ষ

আজ ভারতবর্ষে বলা যায় গণতন্ত্রের নামে দলতন্ত্রের শাসন চলছে৷ ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা৷ কেন্দ্রীয় সরকার ও বিভিন্ন রাজ্যে যেগুলি সংবিধানে রাষ্ট্র নামে উল্লিখিত সেখানে পৃথক সরকার শাসন চালায়৷ তবে কেন্দ্রের ও রাজ্যের অধিকার দায়িত্ব সংবিধানে নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে৷ এই সংবিধান ১৯৫০ সালের ২৬শে জানুয়ারী লোকসভায় গৃহীত হয় সেই সময়ের ২৪৮ জন সদস্যার সমর্থনে যাঁরা সেই সময় দেশের জ্ঞানীগুণী ছিলেন৷

ডঃ ইয়ূনুস সাহেব শিক্ষার মর্যাদা দিয়ে সোজা পথে চলে দ্রুত নির্র্বচনের ব্যবস্থা করুন

প্রভাত খাঁ

বাংলাদেশের অন্তবর্ত্তী সরকারের প্রধান মিঃ ইয়ূনুস খান এসেছিলেন একমাত্র সাধারণ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতেই৷ কিন্তু সেদিকে পা না বাড়িয়ে শান্তিরনামে নোবেল জয়ী ইয়ূনুস দীর্ঘকাল গদীতে বসে পাকিস্তানী প্রেমকে গলার হার করে বাংলাদেশের জনগণকে কি বিপথে ঠেলে দিচ্ছেন না?

দলীয় বোটমুখী একপেশে বাজেট

প্রভাত খাঁ

বিজেপি সরকার ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কোটি কোটি অসহায় গরিব মানুষদের নিয়ে যে শাসনের নামে ব্যভিচার করে চলেছে সেটা ফ্যাসিজিমকেও হার মানায়! তারই জ্বলন্ত নিদর্শন বর্তমানের ২০২৫-২৬-এর বাজেট৷ এই বাজেটে কোটি কোটি হতদরিদ্র জনগণের জন্য কোন কিছুই সুরাহা করা হয়নি৷

নীলকন্ঠ দিবসের প্রার্থনা

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

পৌরাণিক গল্প অনুযায়ী অমৃতের সন্ধানে দেবতারা সুমুদ্র মন্থন করতে গিয়ে অমৃতের সাথে তীব্র হলাহল বিষতুলে আনে৷ যে বিষ সমগ্র পৃথিবীকে ধবংস করে দেবে৷ দেবতারা নিরুপায় হয়ে শিবের দারস্থ হয়৷ সদা মঙ্গলময় শিব সেই বিষ পান করে পৃথিবীকে রক্ষা করেন৷ পুরাণ অনুযায়ী শিব সেই বিষ শরীরে ছড়িয়ে পড়তে না দিয়ে কন্ঠে ধারণ করে রাখেন৷ বিষের প্রভাবে শিবের কন্ঠ নীল হয়ে যায়৷ সেই থেকে শিবের এক নাম হয় নীলকন্ঠ৷

পৌরাণিক এই গল্পটি শিক্ষামূলক৷ পুরাণের গল্পগুলির মধ্যে সত্যতা না থাকলেও লোক শিক্ষার বিষয়৷ পৃথিবীতে মন্দ ভালো দুই আছে৷ কবি বলেছেন---

‘বহু ভাগ্য সেই জন্মিয়াছি এমন বিশ্বে

নির্র্দেষ সে নয়,

রসিক শ্রীরামকৃষ্ণ

প্রণবকান্তি দাশগুপ্ত

আত্মভোলা সাধক হওয়া সত্ত্বেও শ্রীরামকৃষ্ণ শুষ্ক জ্ঞান আর নীরস তত্ত্বের গাম্ভীর্যে নিজেকে আবৃত করে রাখেন নি৷ রসে বশে রাখিস মা৷ আমায় শুটকো সন্ন্যাসী করিস নে৷ এই ছিল তাঁর একান্ত আর্তি৷ জহুরী যেমন জহর চিনতে ভুল করে না, তেমনি শ্রীরামকৃষ্ণেরও লোকচরিত্র বুঝতে বিলম্ব হতো না৷ ভক্তরূপে কত লোকজন আসতো তাঁর কাছে৷ সবাই তো আর ভক্তির টানে আসতো না৷ অনেকে অনেক রকম স্বার্থ নিয়ে আসতো৷ সহজপথে পুণ্য সঞ্চয়ের অভিলাষ নিয়ে আসতো৷ শ্রীরামকৃষ্ণ তাদের নিয়ে এমন পরিহাস করতেন যে উপস্থিত ভক্তরা হাসি সংবরণ করতে পারতেন না৷ নিছক ব্যঙ্গ বিদ্রূপই নয়, ওই রসিকতার মধ্য দিয়েই পরিচয় মিলতো তাঁর বাস্তববোধ, লোকচরিত্র বোঝার ক্ষমতা আর নির্