Skip to header Skip to main navigation Skip to main content Skip to footer
CAPTCHA
This question is for testing whether or not you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

User account menu

  • My Contents
  • Log in
নোতুন পৃথিবী
সর্বাত্মক শোষণমুক্ত সমুন্নত সমাজ রচনার পথপ্রদর্শক

প্রধান মেনু

  • প্রথম পাতা
  • আধ্যাত্মিক প্রসঙ্গ
  • প্রাউট প্রবক্তার ভাষায়
  • সংবাদ দর্পণ
  • দেশে দেশে আনন্দমার্গ
  • সম্পাদকীয়
  • প্রবন্ধ
  • খেলা
  • নারীর মর্যাদা
  • ভাষা
  • স্বাস্থ্য
  • প্রভাতী
  • ইতিকথা

ভাষা প্রসঙ্গে

য

(১৫) কোন বস্তুর ওপর আলোকপাত হলেই সেই বস্তুর সংস্থিতি ও তার কাটছাঁটের ওপরে নির্ভর করে তার জ্যোতিঃ বিকিরণ৷ যেমন একটু বড় আকারের হীরকখণ্ড থেকেও ভালভাবে জ্যোতিঃ ৰের হৰে না যদি হীরকখণ্ডটিকে ঠিকভাবে কাটা না হয়৷ মণিমাণিক্য ও অন্যান্য অনেক বস্তু থেকেই যখন (যে কোন কারণেই হোক) দ্যুতি বিচ্ছুরিত হয় তখন সেই দ্যুতিকেও (reflected light) ‘যা’ ৰলা হয়৷ এটিও ‘যা’ ধাতু + ড প্রত্যয় করে আসছে৷

(১৬) ‘যম ধাতুর অর্থ নিয়ন্ত্রণ করা৷ যে সব কিছুকে নিজের নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখে তার জন্যে ‘য + ‘ক্তিন করে ‘যতি’ শব্দ ব্যবহৃত হয়৷ ‘যতি’ মানে সন্ন্যাসী এতদর্থে ‘য + ‘ড’ করে যে ‘য’ শব্দ পাচ্ছি তার মানেও তাই ‘সন্ন্যাসী’৷

  • Read more about য

ঢ

‘গণেশ’ শব্দটির মানে হ’ল জননায়ক---একই অর্থে গণপতি, বিনায়ক৷ মানুষের স্বাভাবিক মনস্তত্ব হচ্ছে এই যে নিজের জিনিসকে সে একটু ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দেখায়৷ কারো পুকুরের রুই মাছ যদি বারটা মোষের সমান হয় তাহলে তার প্রতিদ্বন্দ্বীর পুকুরের ইলিশমাছ অন্ততঃ চবিবশটি মোষের সমান হবেই তাই নিজের গণপতি বা দলপতি যে একজন হেজিৰেজি লোক নন সেটি দেখাবার জন্যে তার মুখটি করে দেওয়া হয়েছে সর্ববৃহৎ জানোয়ারের মুখের মত অর্থাৎ হাতীর মত৷ এতে নিজের দলপতির শ্রেষ্ঠত্বই বিঘোষিত হচ্ছে, দলপতির চেহারাটি নাদুস নুদুস হলে দলের মর্যাদা অবশ্যই বৃদ্ধি পায়, কারণ তাতে প্রমাণিত হয় যে দলের মধ্যে প্রাচুর্যের তথা ঐশ্বর্যের মাধুর্য রয়েছে৷ ৰড় ৰড় গুদামের

  • Read more about ঢ

কুকুদ

 কুক্ উণ্ দা ড ঞ্চ কুকুদ৷ ‘কুকুদ বলতে বোঝায়, যে কোন কিছুকে তুলে নেয় ও তারপর তা’ দান করে৷ যোগারূঢ়ার্থে ‘কুকুদ’ মানে পৌরাণিক মত অনুযায়ী অনুষ্ঠিত বিবাহের সম্প্রদান–কর্ত্তা৷ প্রাচীনকালে বিবাহের নানা রীতি প্রচলিত ছিল–আজও আছে৷ শৈব, গান্ধর্ব, রাক্ষুসী প্রভৃতি নানান রীতির মধ্যে একটি রীতি ছিল–পিঁড়ির উপর সালঙ্কারা কন্যা উপবিষ্টা থাকবে৷ কন্যার অভিভাবক তাকে পিঁড়ি সহ ঊর্ধ্বে তুলে দান করবেন ও বিবাহার্থী তা’ গ্রহণ করবে৷ সম্প্রদান কর্ত্তাকে বলা হত ‘কুকুদ’ অর্থাৎ যিনি তুলে নিয়ে দান করলেন, আর যিনি দান গ্রহণ করলেন তাঁকে বলা হ’ত ‘কোক’ অর্থাৎ যিনি তোলা জিনিস গ্রহণ করলেন৷ 

  • Read more about কুকুদ

দ

(৩) একটু আগেই ৰলছিলুম, ‘দী’ ধাতুর মানে কাটা৷ কাপড় কাটা, বাঁশ কাটা, তরকারী কাটা---সব ক্ষেত্রেই ‘দী’ ধাতু চলৰে৷ তবে মারপিট কাটাকাটির জন্যে ‘দী’ ধাতুর ব্যবহার বড় একটা নেই৷

  • Read more about দ

থ

(১২) একটু আগেই ৰললুম, ‘থুড্‌’ধাতুর অর্থ ঢেকে রাখা, লুকিয়ে রাখা৷ কোন বস্তুকে খেয়ে ফেললে তাকে ঢেকে রাখা বা লুকিয়ে রাখা হ’ল৷ তাই ইত্যর্থে ভক্ষণ করা অর্থেও ‘থুড + ‘ড’ করে ‘থ’শব্দ ব্যবহৃত হয়ে থাকে৷

  • Read more about থ

চ

চ ঃ (১) ‘চি’ ধাতু +  ‘ড’ প্রত্যয় করে ‘চ’ শব্দ নিষ্পন্ন হচ্ছে যার মানে হ’ল চয়ন করা হিন্দীতে ‘চুনন্‌া’৷ এই চয়ন করা থেকেই বাংলায় ‘চয়ন’, ‘সঞ্চয়ন’, ‘সঞ্চয়িতা’, ‘সঞ্চিতা’, ‘অপচয়’, ‘অপচিত’, ‘উপচয়’ (উপচে পড়া), ‘উপচিত’ প্রভৃতি শব্দগুলি এসেছে৷ আমরা ভাল করে একটি মালা গাঁথবার জন্যে ৰাগান থেকে ভাল ভাল ফুল ৰাছাই করে নিই ও তা তুলি৷ এই ফুল তোলা হ’’ল পুষ্প চয়ন করা৷ যিনি বিশ্বের সকল জায়গা থেকে সৎ নীতিনিষ্ঠ ভাল মানুষগুলিকে ৰাছাই করে নিয়ে নিজের ‘গণ’ বা অনুচর বা সহকারী করে নেন, তাঁদের সাহায্যে বিশ্বে সৎ ভাবনার প্রচার-প্রসারের চেষ্টা করেন তিনিও নিশ্চয়ই ‘চ’৷ তাই শিবের একটি নাম চ’৷

  • Read more about চ

ম

(১৪) ‘‘তং জাড্যাৎ তারয়েৎ যস্তু সঃ তন্ত্রঃ পরিকীর্তিত’’৷ অর্থাৎ ‘ত’-রূপী জড়তার হাত থেকে যা ত্রাণ করে তা-ই তন্ত্র৷ দীর্ঘকাল থেকে তন্ত্রের দু’টি শাখা রয়েছে---বিদ্যাতন্ত্র ও অবিদ্যাতন্ত্র৷ বিদ্যাতন্ত্রের ধ্যেয় হচ্ছেন পরমপুরুষ৷ বিদ্যাতন্ত্রের ধ্যেয়কে ৰলা হয় শ্রেয়৷ এই শ্রেয়ের সম্প্রাপ্তিতেই ত্রিবিধ দুঃখের বিমুক্তি........

  • Read more about ম

ৰ

(১৫) ‘ৰল্‌’ ধাতুর অর্থ ৰেঁচে থাকা, শক্তি সঞ্চয় করা৷ ‘ৰল্‌’ ধাতুর উত্তর ‘ণিনি’ প্রত্যয় করে পাই ‘ৰলী’---ভাবারূঢ়ার্থে ‘যার ৰল আছে’, যোগারূঢ়ার্থে ‘দৈত্যরাজ মহাৰলী’---পৌরাণিক ইতিহাসে যিনি অতিশয় দাতারূপে চিহ্ণিত ৰলা হয়ে থাকে ঃ

‘‘অতিদর্পে* হতা লঙ্কা অতি মানে চ কৌরবাঃ৷

অতি দানে ৰলীর্ৰদ্ধঃ অতি সর্বথা বর্জয়েৎ৷৷’’

অতিরিক্ত অহংকারের জন্যে লঙ্কার পতন হয়েছিল৷ অতিরিক্ত সম্মানৰোধের জন্যে কৌরবেরা ধবংস হয়েছিল৷ অতিরিক্ত দানে দৈত্যরাজ ৰলীকে পাতালে যেতে হয়েছিল৷ অতিরিক্ত সবকিছুকে বর্জন করে চলৰে৷ অতিশয় সবকিছু নিন্দার যোগ্য৷

  • Read more about ৰ

ঔ

ঔপল ঃ উপ-লা+ ড = উপল৷ ইংরেজীতে যাকে ৰলে ‘পেৰ্‌ল্‌’ (pebble) ‘ৰাংলায় ‘নুড়ি’, হিন্দীতে ‘রোড়ে’, উর্দুতে ‘সংরেজে’৷ এই নুড়ি সংক্রান্ত বিষয়কে ৰলৰ ‘ঔপল’৷ যে পার্বত্য পথ নুড়িতে ভর্তি তাকে আমরা অনায়াসে ‘ঔপল পথ’ ৰলতে পারি৷ উপল পথ ‘ঔপল’ শব্দ পাচ্ছি৷ উপল মানে যে কেবল নুড়ি তাই নয়৷ যে কোন ক্ষুদ্রাকৃতি কঠোর বস্তুকেই ‘উপল’ ৰলা চলে৷ এমনকি যে বস্তু আগে কঠোর ছিল না, এখন কঠোর হয়ে গেছে, তাকেও উপল বলা চলে৷ উপলী/উপলি হচ্ছে সংস্কৃত ভাষায় ঘুঁটের একটি নাম৷ পর্যায়বাচক শব্দ হচ্ছে ‘ঘুন্টক’ (যার থেকে ‘ঘুঁটে’ শব্দ এসেছে), কাণ্ডক (যার থেকে উত্তর ভারতে ‘কাণ্ডা’), কুরীষ, ঘোসকী (যার থেকে ৰাংলায় ‘ঘোসি’---ঘুসি নয়৷ ঘুসি মানে ‘ক

  • Read more about ঔ

প

(১৪) বিবাহিত মানুষের জীবনকে একটি অখণ্ডকালাবস্থা ৰলে গণ্য করলে সেই মানুষের এক একটি বিবাহ কালকে এক একটি পক্ষ বলে গণ্য করা হয়৷ যেমন প্রথম পক্ষের স্ত্রী, দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী, তৃতীয় পক্ষের স্ত্রী৷ কথ্য বাংলায় সাধারণতঃ যে পুরুষ প্রথমবার বিয়ে করে, তাকে ৰলে ৰর বা একৰরে৷ যে দ্বিতীয়বার বিয়ে করে তাকে ৰলে দোজবরে৷ যে তৃতীয়বার বিয়ে করে তাকে ৰলে ‘তেজৰৱে’৷ যে চতুর্থবার বিয়ে করে তাকে বলে ‘চারবরে’৷ তোমরা সেই প্রাচীন কালের বহুবিবাহপ্রথাসম্প কুলীন ঘরের ছড়া জানতো ---

    ‘একৰরে সোয়ামী স্ত্রী পাতে বসে খায়

    দোজৰরে সোয়ামী স্ত্রী সাথে বসে খায়

  • Read more about প
Powered by Drupal

নোতুন পৃথিবী সোসাইটির পক্ষ থেকে আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত কর্তৃক প্রকাশিত।

সম্পাদকঃ - আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

Copyright © 2026 NATUN PRITHIVII SOCIETY - All rights reserved