রাষ্ট্রসঙ্ঘে স্বীকৃতি পেল বাংলা ভাষা

গত ১০ই জুন রাষ্ট্র সংঙ্ঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে বহুভাষাবাদের পক্ষে অ্যান্ডোরা ও কলম্বিয়ার আনা প্রস্তাব গৃহীত হয়৷ গৃহী

নিজস্ব সংবাদদাতা

আনন্দমার্গ স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রের যুগান্তকারী আবিষ্কার

পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার ছেলে সাবির হোসেন এক বিশেষ ধরণের পাউডার আবিষ্কার করেছেন যা ব্যবহারে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতস্থানের রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে৷ পি.এন.এ.

সুপ্রিম কোর্টে সাতে নেই বাংলা প্রতিবাদে সরব ‘আমরা বাঙালী’

সুপ্রিম কোর্ট তার রায় প্রকাশের মাধ্যম হিসাবে হিন্দী, ইংরাজীর সাথে আরও পাঁচটি ভাষাকে বেছে নিয়েছে৷ তার মধ্যে উড়িয়া, অসমিয়া থাকলেও বাংলা ভাষার স্থান হয়নি নিজস্ব সংবাদদাতা

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে আবেদন

‘‘মানুষ যেন মানুষের তরে সবকিছু করে যায়৷

               একথাও যেন মনে রাখে পশুপাখী তার পর নয়

নিজস্ব সংবাদদাতা

মাইক্রোবাইটামের প্রভাবে প্রভাবিত একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কথা

সমরেন্দ্রনাথ  ভৌমিক

আজকের প্রবন্ধটির আলোচ্য বিষয় হ’ল---প্রাকৃতিক বিপর্যয় ‘খরা’ সৃষ্টিতে মাইক্রোবাইটামের প্রভাব৷ শ্রীপ্রভাতরঞ্জন সরকারের অভিমতানুসারে খরা সৃষ্টির অন্যতম কারণ হ’ল মাইক্রোবাইটাম৷ কিন্তু ‘খরা’ কাকে বলে? ‘খরা’ Drought) হ’ল একটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়৷ দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টিপাত না হলে যে প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি হয় তাকে খরা বলে৷ এখন খরা কেন হয় ও কি কি কারণে ঘটে?

বাঙালীর জাতিসত্ত্বা ভাষা, লিপি ও কৃষ্টি কি হারিয়ে যেতে বসেছে

জে.ডি. মণ্ডল

(পূর্ব প্রকাশিতের পর )

বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলের বিশালত্ব ঃ-

গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-দামোদর-ময়ূরাক্ষী ইত্যাদি নদী ব-দ্বীপ অঞ্চলে গড়ে ওঠা বাঙালী অধ্যুষিত অঞ্চলের মোট আয়তন ছিল---১৮৭২ সালে-২,৪৮,২৩১ বর্গ মাইল অর্থাৎ ৪,৩৫,৪৭১ বর্গ কিমি৷ (সূত্র ঃ বৃটেনিকা এনসাইক্লোপিডিয়া নবম সংস্ককরণ, তৃতীয় খণ্ড, পৃঃ-৫৬৪)৷

বর্ত্তমানে ওই অঞ্চলের লোকসংখ্যা হবে আনুমানিক ৪০ কোটি৷ অঞ্চলটা হলো---

বোট কেন্দ্রীক একপেশে অন্তবর্তী বাজেট গণতন্ত্রকেই লজ্জা দেয়

প্রভাত খাঁ

কেন্দ্র সরকার মাত্র তিন মাসের মাসের জন্য যে অন্তর্বর্তী বাজেট (ব্যয়মাত্রিকা) পেশ করেছে সেটাকে বলা যায় এক ধরণের আগামী লোকসভার বোট যেটা ২০২৪-এ অনুষ্ঠিত হবে সেটার দিকে লক্ষ্য রেখেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী মাননীয়া নির্মলা দেবীর শেষ বাজেট পেশ৷ এই বাজেটটাও সেই অতীতের বাজেটে যে কল্পিত ঘোষনা বছরে ২কোটি বেকারের চাকরী তারই বোটমুখী৷ কারণ এই টুকরো বাজেটে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তিনকোটি মহিলাকে লাখপতি দিদি হওয়ার সুযোগ দেওয়ার ঘোষনা! মনে রাখা দরকার এটা একটি বৃহত্তর দলতান্ত্রিক সরকার যেটি কেন্দ্রীয় সরকার তার পক্ষে কি লজ্জাজনক নয়? যে দেশে শোষিত ও বঞ্চিত মহিলাদের সংখ্যা কোটি কোটি!

নীলকন্ঠ করেছেন পৃথিবীরে নির্বিষ

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত

‘আজ অর্থনীতি বস্তাপচা তত্ত্ব কথার কচকচানি ছাড়া আর কিছুই নয়৷ একে অধিকতর বাস্তবমুখী করতে হবে ৷’--- অর্থনীতি হবে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ও প্রয়োগ ভৌমিক বিজ্ঞান, আর একে সর্বজীবের তথা সর্ব অস্তিত্বের সার্বিক কল্যাণের স্বার্থে বিকশিত করতে হবে৷

প্রাউটের সমাজ আন্দোলনের লক্ষ্য স্থানীয় মানুষের হাতে থাকবে অর্থনৈতিক ক্ষমতা

মনোজ দেব

আজ অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সমাজের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একমাত্র পথ হিসেবে মেনে নিয়ে আপন আপন কর্মসূচী নিয়ে কাজ করে চলেছে৷ তারা দেশে ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য ও বেকার সমস্যা সমাধানের জন্যে দেশী-বিদেশী পুঁজিপতিদের শরণাগত৷ দেশী-বিদেশী পুঁজিপতিরা যাতে রাজ্যে তাদের মোটা পুঁজি বিনিয়োগ করে’ শিল্প গড়ে তুলতে এগিয়ে আসে, সেজন্যে ওই পুঁজিপতিদের নানান ভাবে তোষণ করে চলেছে৷ তাদের নানাভাবে প্রলোভন দিচ্ছে৷ সস্তায় জমি, বিদ্যুৎ, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে করছাড় ইত্যাদির আশ্বাস দিয়ে নানাভাবে তাদের মন ভেজানোর চেষ্টা করছে৷ বাম আমলেও দেখা গেছে কট্টর মার্কসবাদী বলে পরিচিত সিপিএম সহ অন্যান্য সঘোষিত সমাজতন্ত্রী

বুর্র্জেয়া শিক্ষা৷

হৃদয় ঘোষ

সময়টা ১৯৬০-এর দশকের শেষভাগ আর ৭০-এর দশকের প্রথম ভাগ৷ খবরের কাগজ খুললেই দেখা যায় পশ্চিমবঙ্গের চারিদিকে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতা, কতিপয় পথভ্রষ্টের বিচারে মৃত্যুদণ্ডাঙ্গা প্রাপ্ত কত না প্রতিভার রক্তক্ষরণ হ’য়ে চলেছিল প্রতিনিয়ত!

বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও অচেতন মনের ভূমিকা

সমরেন্দ্রনাথ ভৌমিক

যে কোন মৌলিক আবিষ্কার করতে হলে আবিষ্কারের জন্য উপাদান ও যন্ত্রপাতির ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ কিন্তু  তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হ’ল মানব মন৷ কারণ, মানবমনই করে এই আবিষ্কার বৈজ্ঞানিক গবেষণায় যা কিছু আবিষ্কার হয় এই মনের দ্বারা ৷ সুতরাং এই মনকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ঠিক ঠিকভাবে দক্ষতা অর্জন করতে হবে৷ আর এই দক্ষতাকে খুঁজে পেতে হলে আমাদের এই সাধারণ মনকে চেতন মনের স্তর অতিক্রম ক’রে নিয়ে যেতে হবে অচেতন মনের স্তরে৷ কারণ, আবিষ্কারের যে বীজ বা উৎস তা লুকায়িত রয়েছে এই গভীর গহন অচেতন মনের স্তরে Layer of superconcious mind)৷ মনের তৃতীয় স্তরকে বলা হয় অচেতন মনের স্তর৷ আজ পর্যন্ত যত মৌলিক আবিষ্কার হয়ে

দলতান্ত্রিক শাসনে সংসদীয় গণতন্ত্রের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ্ হচ্ছে

প্রভাত খাঁ

মানবিক মূল্যবোধ যদি রাজধর্মের ও জনসেবার কাজে যুক্ত দেশসেবকগণের না আসে তাহলে পৃথিবীর বিরাট রাষ্ট্র-এর উন্নতি হওয়া সম্ভব পর নয়৷ এই কথাটি  সেদিন যাঁরা ইংরেজ সাম্রাজ্যবাদীদের হাত থেকে শাসনভার নিয়েছিলেন তাঁদের মাথায় আসেনি৷ কিন্তু শাসনভার হাতে নিতে সেদিনের ২জন ব্যষ্টি যাঁরাই ইংরেজের কাছের লোক সেই মাননীয় জওহরলাল ও জিন্না সাহেব যাঁরা ইংল্যাণ্ডে শিক্ষা লাভ করেন তাঁরা রাজশক্তি হাতে পেতেই আগ্রহশীল বেশী হন৷ তবে ভারতের সংবিধান প্রণেতারা খুবই বুদ্ধিমান ও চিন্তাশীল ছিলেন তাই ভারতের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষ ধর্মমত নিরপেক্ষ শব্দটিকে অত্যধিক গুরুত্বদান করেন৷ এই শব্দটিকে কিন্তু দলতন্ত্রের সেবকগণ কোনদিনই আন্তরিকভ

বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে হবে বাঙালীদেরই

বিশ্বদেব মুখার্জী

টেলিভিশনের বিভিন্ন চ্যানেলে কিছু কিছু অনুষ্ঠান বেশ জনপ্রিয়৷ ধারাবাহিকগুলোর পাশাপাশি দাদাগিরি,দিদি নং-১ যেমন জনপ্রিয় তেমনই জনপ্রিয় গানের অনুষ্ঠান সা- রে- গা- মা-পা কিংবা  নাচের অনুষ্ঠান ’ ড্যান্স বাংলা ড্যান্স’৷ বহু নবীন প্রতিভা এইসব অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উঠে আসে বা প্রতিষ্ঠা পায় একথা সত্য৷ এই বিষয়ে আলোকপাত করার উদ্দেশ্যে এই প্রতিবেদন লেখা নয়,প্রশ্ণটা অন্য৷